প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার পুনরায় এই পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহতাপ ইসলাম বলেন, আমার মনে করি প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকরা হবেন বিবেকবান মানুষ, সুশিক্ষায় শিক্ষিত। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনেকেই প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে পরীক্ষা দিচ্ছে, ডিভাইস পদ্ধতি ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
এতে তারা তাদের নৈতিকতা হারিয়েছে। সেই সাথে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার এই প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরা মনে করে যে পরীক্ষাটি হয়েছে সেটি বাতিল করে পুনরায় নেওয়া প্রয়োজন। কেননা এই ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা পাস করে শিক্ষক হওয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
আরও পড়ুন
তিনি আরো বলেন, শুধু প্রশ্নফাঁস নয়, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ একটি সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। যেখানে সেখানে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত খুনিদের ধরতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। বিচার তো শুধুই হয়নি।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনে দুপুরে মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে এই সরকার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। আমার মনে করছি দেশের আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি সামনের নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে দিবে না। তাই সরকারকে অনুরোধ করবো, আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এএডি/