আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশটি প্রদান করা হয়।
নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জানুয়ারি লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নে এক শোক সভায় ধানের শীষের পক্ষে ভোট ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান ইদ্রিস মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের পূর্বেই তিনি প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন, যা আচরণবিধির পরিপন্থি।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না; তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে। প্রয়োজনে সশরীরে অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জবাব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকেও কারণ দর্শনোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।
যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং নির্বাচনী এলাকায় (চট্টগ্রাম- ১৫ আসন) ইলেক্ট্রোরাল এনকোয়ারী ও এডজুডিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান রূপন কুমার দাশ এই নোটিশ জারি করেন।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি ইলেকট্রোরাল এনকোয়ারী কমিটি বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে প্রতীক বরাদ্দের আগে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নে এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. জসিম উদ্দিন ‘দাঁড়িপাল্ল ‘ প্রতীকে প্রকাশ্যে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। কমিটি বিষয়টি যাচাই করে শাহজাহান চৌধুরী ও মো. জসিম উদ্দিনকে শোকজ নোটিশ দেয়।
নোটিশে জামায়াত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে আগামী সোমবার বেলা ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
বড়হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়েছি সেটা সত্য। তবে এটা যে আচরণবিধি লঙ্ঘন, সেটা আমাদের আগে জানা ছিল না। ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব।
এফআর