পটুয়াখালী ৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দল সমর্থিত প্রার্থীর প্রচারণায় না থাকে ভবিষ্যতে বিএনপির প্রতি মিত্রদের অনাস্থা তৈরি হবে। এতে জোট গঠনের ক্ষেত্রে শঙ্কা দেখা দেবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ এবং আচরণ বিধি নিয়ে আলোচনা সভা শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
নুরুল হক নুর বলেন, বিএনপি মিত্রদেরকে আশ্বস্ত করেছে নির্বাচনে জয়ী হলে তাদের সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করবে। নির্বাচনে জয়লাভ না করলেও মিত্রদের সরকারে রাখা হবে। এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েই বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছি। এখন বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই বিবেচনা করবে, তারা দল সমর্থিত প্রার্থীর সঙ্গে থাকবে, নাকি দল থেকে বহিষ্কৃত নেতার পিছনে থাকবে।
তিনি বলেন, গত নির্বাচনগুলোতে অনেকেই আমরা ভোট দিতে পারিনি। আমাদের ভোটাধিকার ছিল না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি, এই ভোটাধিকার সচেতনতার সাথে প্রয়োগ করে যেন আমরা সঠিক প্রার্থীকে বাছাই করি। যিনি নির্বাচিত হলে এলাকার কল্যাণ ও উন্নয়ন হবে এবং মানুষ ভালো থাকবে।
ভিপি নুর বলেন, পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা দশমিনা) আসনটি মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকা। ৫০ বছরে বিএনপি এই আসনটি পায়নি। বিএনপি এই আসনে ট্রাক প্রতীকে নির্বাচন করছি। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বানচাল ও পরিবেশ ঘোলাটে করতে এলাকায় এসেছেন। সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
জবাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য হাসান মামুন সাংবাদিকদের বলেন, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিভিন্নভাবে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের বসিয়ে দিয়ে একক নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে দলীয় তিনজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমিসহ মোট চারজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জোর দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। এই আসনে বিএনপির বঞ্চিত নিপীড়িত নেতাকর্মী ও মানুষের অনুরোধে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মানুষ আমাকে বিজয়ী করবে।
সময়ের আলো/আআ