দীর্ঘ ১ মাস ২০ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুল্কমুক্ত চাল আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানি অনুমতি পাওয়ার তিন দিনের মাথায় এরই মধ্যে চাল আমদানি শুরু করে দিয়েছেন বন্দরের আমদানিকারকরা।
বুধবার দুপুরে ভারত থেকে ডিপি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের দুটি চালবোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশের মধ্যে দিয়ে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।
এ বিষয়ে জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে হিলি কাস্টমস শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাঁধন জামান বলেন, বুধবার ভারত থেকে দুটি ট্রাকে ৭৭ টন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালগুলো ৪৫০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। পরে আরও একটি ট্রাকে ৩৭ টন চাল আমদানি করা হয়েছে। দ্রুত বাজারজাতকরণের জন্য আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও জানান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাঁধন জামান।
আরও পড়ুন
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি অনুমতি দেওয়ার পর বুধবার থেকে আমদানিকারকরা ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু করেছেন। আমদানিকৃত এসব চালের মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়করণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের ৩২ জন আমদানিকারক এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন বলেও জানান উপপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
কথা হয় চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রিন্টু কমল সরকারের সঙ্গে। এ সময় তিনি বলেন, বুধবার প্রথম ভারত থেকে দুটি ট্রাকে আমাদের সম্পা কাটারি জাতের চাল আমদানি হয়েছে। চাহিদা থাকায় এসব আমদানিকৃত চাল বন্দরেই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা দরে। চাল আমদানি বাড়লে দাম আরও কমে আসবে বলেও জানান রিন্টু কমল সরকার।
বুধবার হিলি স্থলবন্দরে স্থানীয় চালের বাজার ঘুরে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি সম্পা কাটারি চাল বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৭০ থেকে ৭১ টাকা দরে। এ ছাড়া স্বর্ণা-৫ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। অন্যদিকে বুধবার আমদানি করা চাল বন্দরে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায় যা দেশের বাজারে বর্তমান মূল্যের তুলনায় কেজিতে ৫ টাকা কম।
এএডি/