অধস্তনকে মারধরের অভিযোগ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

শেরপুর প্রতিনিধি

সারাদেশ

সরকারি অফিসের ভেতরেই অধস্তনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী

2026-01-22T17:36:20+00:00
2026-01-22T20:58:49+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
অধস্তনকে মারধরের অভিযোগ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম  আপডেট: ২২.০১.২০২৬ ৮:৫৮ পিএম
নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
সরকারি অফিসের ভেতরেই অধস্তনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীম দে নিজের নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে অফিস সহকারী আল-ইমরান কয়েকটি বকেয়া বিল নিয়ে নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে যান। তবে নজরুল ইসলাম ওই বিল পরিশোধে অপারগতা জানান। বিষয়টি যাচাই-বাছাই ও সুরাহার জন্য সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা পার্থ প্রতীমকে অনুরোধ করেন আল-ইমরান। পার্থ প্রতীম বিষয়টি নিয়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে পার্থ প্রতীমকে গালিগালাজ ও কিল-ঘুষি মারতে থাকেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে অফিসের অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। আহত পার্থ প্রতীম শেরপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। 

ভুক্তভোগী পার্থ প্রতীম দে জানান, আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিল বা ভাউচারগুলো যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি উত্তেজিত স্বরে বলেন, আমি কি আশিকুর রহমান সরকারের অফিস সহকারী নাকি যে তাকে ফোন করব? 

তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে তিনি মা-বাবা তুলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। প্রতিবাদ করায় উত্তেজিত হয়ে নজরুল ইসলাম তার আসন ছেড়ে ওঠে এসে অফিস সহকারী আল-ইমরান এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আশরাফুজ্জামান জুয়েলের সামনেই আমাকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এতে আমার বাম হাতের কনুই জখম হয়ে ফুলে যায়। 


মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অফিসটাকে আমার পরিবার মনে করি। পরিবারের সদস্য হিসেবে আমি ধমকা-ধমকি করেছি। 

জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নকলা উপজেলা নির্বাচন অফিসের ঘটনা আমি শুনে এবং লিখিত অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে যাই। যা ঘটেছে তা ন্যক্কারজনক। 

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সামনে নির্বাচন, তাই নির্বাচনের পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এফআর


  বিষয়:   অধস্তন  পিটিয়ে জখম  অভিযোগ  শেরপুর  নকলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: