খালের মাটি কাটার কাজ দেওয়ার কথা বলে এক যুবকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন ভূমি অফিসের নায়েব মো. শামসুদ্দোহা। সেই টাকা ফেরত নিতে এবার উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে ভুক্তভোগী আলম মিয়া। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
ভুক্তভোগী মো. রুবেল মিয়া বলেন, গত বছরের এক মার্চ সরকারিভাবে খালের মাটি কাটার অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নগদ ৭৯ হাজার টাকা ঘুষ নেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিকান্দী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তৎকালীন নায়েব মো. শামসুদ্দোহা। তবে তাকে কোনো ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এর কিছুদিন পরই শামসুদ্দোহা পার্শ্ববর্তী রূপসদী ইউনিয়নে বদলি হন। সেখান থেকেও দুই দফা বদলি হয়ে বর্তমানে নবীনগর সদর ভূমি অফিসে উপ-সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন শামসুদ্দোহা।
তিনি আরও বলেন, গত ১৪ জানুয়ারি সেখানে গিয়ে টাকা চাইলে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান ওই নায়েব। এতে বাধ্য হয়ে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে তিনি।
এদিকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ভূমি কর্মকর্তা শামসুদ্দোহার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে একাধিক বিচার ও সালিশ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি মারুফসহ একাধিক ভুক্তভোগী।
তাদের দাবি, এ ধরনের অভিযোগের কারণেই তিনি এক জায়গায় দীর্ঘদিন চাকরি করতে পারেন না।
তবে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শামসুদ্দোহা বলেন, আমি কারও কাছ থেকে কোনো উৎকোচ গ্রহণ করেনি।
এসব বিষয়ে নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালিদ বিন মনসুর বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এফআর