কারাগার হবে একজন বিপথগামীর জন্য সংশোধনাগার বলে মন্তব্য করেছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ৬৩তম ব্যাচের কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নবীন কারারক্ষীদের উদ্দেশে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, বাংলাদেশ জেল একটি স্বচ্ছ এবং সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার চেষ্টা করছে, যার মূল লক্ষ্য হলো বন্দিদের সংশোধন করে আলোর পথ দেখানো। তাই আমাদেরকে নীরবে কাজ করতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি, কারাগার হবে একজন বিপথগামীর জন্য সংশোধনাগার। এ দায়িত্ব পালনে কারারক্ষীরা সদা সচেষ্ট থাকবে এবং নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে তা যথাযথভাবে পালনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকবে।
এ সময় কারারক্ষীরা যাতে কোনোভাবে বিপথগামী না হয়ে সেবা গ্রহণকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, সেজন্য তাদেরকে সহযোগিতা করতে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেন।
সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ৬৮৭ জন কারারক্ষী অংশ নেন। এর মধ্যে সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন কারারক্ষী মো. তানভীন আহমেদ, ড্রিল ক্যাটাগরিতে নবীন কারারক্ষী মো. রাকিব মিয়া, পিটি ক্যাটাগরিতে নবীন কারারক্ষী মো. বাপ্পি হোসেন এবং ফায়ারিং ক্যাটাগরিতে নবীন কারারক্ষী দীপংকর দাস, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধ ক্যাটাগরিতে মো. রনি হোসেন এবং অ্যাকাডেমিক ক্যাটাগরিতে মো. রিয়ন ইসলাম রোকন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী নগর পুলিশের কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. তানভীর হোসেন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন।
এফআর