কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন, শত কোটিপতি ২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে

2026-01-23T01:25:34+00:00
2026-01-23T01:25:34+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন, শত কোটিপতি ২৭
টিআইবির সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:২৫ এএম 
‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে টিআইবি। ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ জন। একই ভিত্তিতে ২৭ জন প্রার্থী শত কোটিপতি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির করা ‘নির্বাচনি হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি : ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এসব বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান ও টিআইবির কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশরই কোনো না কোনো ঋণ বা দায় আছে। এসব প্রার্থীর মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সবশেষ পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী সবচেয়ে কম হলেও তাদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

টিআইবির প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, বিএনপির শতকোটি মালিক ১৮ প্রার্থীর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলামের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ৬২০ কোটি টাকা, ফেনী-৩ আসনের আবদুল আউয়াল মিন্টুর ৬০৭ কোটি টাকার বেশি, কুষ্টিয়া-৩ আসনের মো. জাকির হোসেন সরকারের ৫৮১ কোটির বেশি, চট্টগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর প্রায় ৪৭৩ কোটি টাকা, ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখর উদ্দিন আহমেদের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা, কুমিল্লা-৮ আসনের জাকারিয়া তাহেরের ২৯২ কোটি টাকার বেশি, বগুড়া-৫ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের ২৫৬ কোটি টাকার বেশি, চাঁদপুর-২ আসনের মো. জালাল উদ্দিনের ২৩১ কোটি টাকার বেশি, শরীয়তপুর-২ আসনের মো. সফিকুর রহমান কিরণের প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা, চাঁদপুর-৪ আসনের মো. হারুনুর রশীদের ১৭৫ কোটি টাকার বেশি, ঢাকা-৭ আসনের হামিদুর রহমানের ১৬১ কোটি টাকার বেশি, মৌলভীবাজার-৩ আসনের নাসের রহমানের প্রায় ১৪২ কোটি টাকা, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির ১১৪ কোটি টাকার বেশি, শরীয়তপুর-১ আসনের সাঈদ আহমেদের ১১১ কোটি টাকার বেশি, ঢাকা-৮ আসনের মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের (মির্জা আব্বাস) ১০৯ কোটির বেশি, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আফরোজা খানমের প্রায় ১০৭ কোটি টাকা, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মাহমুদ হাসান খানের প্রায় ১০৪ কোটি টাকা এবং রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১০০ কোটি টাকার বেশি।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের এস এস কে একরামুজ্জামানের (প্রার্থিতা প্রত্যাহার) সম্পদের মূল্য ৪৯৯ কোটি টাকার বেশি, টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীরের ২৮৩ কোটি টাকার বেশি, বাগেরহাট-১ ও ২ আসনের এম এ এইচ সেলিমের প্রায় ২৬৩ কোটি টাকা, নোয়াখালী-৬ আসনের মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের ১৮৮ কোটি টাকার বেশি, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মো. শাহ আলমের প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা, নরসিংদী-৫ আসনের জামাল আহমেদ চৌধুরীর ১৬০ কোটি, শরীয়তপুর-২ আসনের ফারহানা কাদির রহমানের ১৫৯ কোটি টাকার বেশি, কুমিল্লা-৬ আসনের মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের ১২৯ কোটি (প্রার্থিতা প্রত্যাহার), চাঁদপুর-৪ আসনের মো. আবদুল হান্নানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ১২১ কোটি টাকা।

এতে আরও বলা হয়,  এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন বা ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে। নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  এতে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র অর্থাৎ ১৩ শতাংশ প্রার্থী স্বতন্ত্র। আর ১ হাজার ৭৩২ জন দলীয় মার্কা নিয়ে লড়বেন। প্রার্থীদের মধ্যে প্রথমবার নির্বাচন করছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন। এবার শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। এর মধ্যে স্নাতক ২৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি স্নাতকোত্তর ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, মাধ্যমিক ৬ শতাংশের কিছু বেশি।

বিগত পাঁচটি নির্বাচনের তুলনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবারই সবচেয়ে বেশি। নবম নির্বাচনে ছিল ৭১ দশমিক ২৩ শতাংশ, দশম নির্বাচনে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ, একাদশে ৬৭ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশে ছিল ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এবার ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ। নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নারীর অংশগ্রহণ খুবই কম। এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ নারী। জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের ৬ জন এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে নারী প্রার্থী ২৪ জন।

প্রার্থীদের বয়সভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ৪৫-৫৪ বছরের; ৬৫১ জন। এরপর ৫৫-৬৫ বছরের ৫৩১, ৩৫-৪৪ বছরের ৪১৪, ৬৫ বছরের বেশি ৩৭৮, ২৫-৩৪ বছরের ২০৫ জন। বয়স উল্লেখ নেই বা অস্পষ্ট ১০৯ জন প্রার্থীর। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থী মূল পেশা বিবেচনায় ব্যবসায়ী। আইন ও শিক্ষক পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬১ এবং ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। এর পরেই রয়েছেন চাকরিজীবী ও কৃষিজীবী পেশার প্রার্থীরা। এবার রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী।

এতে বলা হয়, এবা‌রের নির্বাচনে মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশের বেশি ইসলামপন্থি দলগুলোর। বিগত পাঁচটি নির্বাচনের মধ্যে এই হার সর্বোচ্চ। নির্বাচ‌নে বিএনপির মোট প্রার্থীর মধ্যে ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত বলে জানিয়ে টিআইবির তথ্যে বলা হয়, যা সর্বোচ্চ। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই হার ৩২ দশ‌মিক ৭৯ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাতীয় পার্টির ২৬ দশ‌মিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত।। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এতে অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশরই কোনো না কোনো ঋণ বা দায় আছে। প্রার্থীদের সর্বমোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ দশ‌মিক ৫২ কোটি টাকা। সবশেষ পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী সবচেয়ে কম হলেও তাদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ১৭ হাজার ৪৭১ দশ‌মিক ৬৭ কোটি টাকা। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থী মূল পেশা বিবেচনায় ব্যবসায়ী। আইন ও শিক্ষক পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন যথাক্রমে ১২ দশ‌মিক ৬১ এবং ১১ দশ‌মিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশ‌মিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। টিআইবি জানায়, এবার সব দলের প্রার্থীদের ঘোষিত সর্বমোট নির্বাচনি ব্যয় ৪৬৩ দশ‌মিক ৭ কোটি টাকা, প্রতিজন প্রার্থীর গড় ব্যয় সাড়ে ২২ লাখ টাকা। ঘোষিত সবচেয়ে বেশি ব্যয় বিএনপির ১১৯ দশ‌মিক ৫ কোটি টাকা। আর দ্বিতীয় অবস্থানে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মোট ব্যয় ৮০ দশ‌মিক ৬ কোটি টাকা। এবার ২৫৯ প্রার্থীর তুলনায় তাদের স্বামী-স্ত্রী অথবা নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেশি, ১১৮ প্রার্থীর তুলনায় তাদের স্বামী-স্ত্রী অথবা নির্ভরশীলদের দালান বা ফ্ল্যাট সংখ্যা বেশি এবং ১৬৪ প্রার্থীর তুলনায় তাদের স্বামী-স্ত্রী অথবা নির্ভরশীলদের জমির পরিমাণ বেশি।

দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থা বলেছে, কমপক্ষে দুজন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য থাকা সত্ত্বেও হলফনামায় উল্লেখ করেননি। টিআইবির পাওয়া তথ্য বলছে, ওই দুই প্রার্থী ব্রিটিশ নাগরিক। এ ছাড়া কয়েকজন প্রার্থী হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্ব ও সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তাদের নীতিমালা অনুযায়ী এই ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য নন। তবে যে তথ্য তারা প্রকাশ করেননি, সেই তথ্য টিআইবির কাছে আছে। তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

হলফনামায় তথ্য গোপন করার বিষয়ে টিআইবির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একজন প্রার্থীর ঘোষিত নির্ভরশীলদের নামে ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যে কেনা ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ড (২১০ কোটি টাকা) মূল্যের বাড়ির সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে, যা ওই প্রার্থীর হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী বাড়িটি কেনার ক্ষেত্রে ‘শেল’ কোম্পানির আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল, যার মূল মালিকানা কোম্পানির নিবন্ধন দেখানো হয়েছে দুবাই।

টিআইবি বলছে, একজন প্রার্থী বিদেশে তার নিজের কোনো সম্পদের তথ্য না দিলেও স্ত্রীর নামে দুবাইয়ে ফ্ল্যাটের মালিকানা রয়েছে। একজন প্রার্থী বিদেশে তিনটি ফ্ল্যাটের মালিকানা থাকার ঘোষণা দিলেও প্রকৃত সংখ্যাটি কমপক্ষে তিনগুণ এবং বিনিয়োগের সম্ভাব্য পরিমাণ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। আরেকজন প্রার্থী বিদেশে নিজস্ব মালিকানায় কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকার কথা স্বীকার না করলেও অনুসন্ধানে মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে আটটি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যুক্ত। এ ছাড়া একজন প্রার্থীর ‘কর স্বর্গে’ কোম্পানির নিবন্ধন থাকার পুরোনো তথ্য অনেকটা প্রকাশিত থাকলেও এ বিষয়ে হলফনামায় কোনো ঘোষণা দেখা যায়নি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে। একই দিনে হবে গণভোট।

সময়ের আলো/এসকে/ 


  বিষয়:   কোটিপতি  প্রার্থী  টিআইবি 


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: