উৎসবমুখর পরিবেশে গতকাল দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার। তবে প্রথম দিনেই রাজনৈতিক মাঠ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাকযুদ্ধে। বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নির্বাচনি সভার গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি, তর্ক আর পাল্টা মন্তব্যে মুখর হয়ে ওঠে অনলাইন অঙ্গন, যা প্রচারে শুরুতেই নির্বাচনের রাজনীতিতে বাড়তি উত্তাপ যোগ করে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটে বিশাল জনসমাবেশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। দিনভর টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রচার সিলেটের পাশাপাশি আরও কয়েকটি জেলায় বিস্তৃত হয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ঢাকার মিরপুরে নিজের নির্বাচনি আসনে সমাবেশের মাধ্যমে দলটির নির্বাচনি যাত্রার সূচনা করেন। এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু করে তিন নেতার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি ইশতেহার নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান প্রার্থীরা। করেন নানা অঙ্গীকার, দেন নানা প্রতিশ্রুতিও। পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করছেন কর্মী-সমর্থকরাও। উচ্ছ্বাস দেখা গেছে সাধারণ মানুষের মাঝেও। তবে এবার নির্বাচনি প্রচারে রয়েছে কঠোর বাধ্যবাধকতা। লাগানো যাবে না পোস্টার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বাধ্যবাধকতা। পোস্টার না থাকায় স্বতন্ত্র বা কম পরিচিত প্রার্থীদের চিনতে বিপাকে পড়েছেন ভোটাররা। তবে কোনো কোনো প্রার্থী নানা অভিযোগও করেছেন। এমনকি নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন।
প্রচার শুরুর প্রথম জনসভায় জামায়াত ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। প্রিয় ভাইবোনেরা, ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছেন। এই দেশের লাখ লাখ মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।’
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি মাঠভর্তি মানুষের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাবা শরিফের মালিক কে? এই দিনদুনিয়া, আমরা যে পৃথিবী দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? এই সূর্য-নক্ষত্র যা দেখি, এর মালিক কে? বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’ তারেক রহমানের প্রশ্নের উত্তরে সবাই ‘আল্লাহ’ বলে সমস্বরে উচ্চারণ করলে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই সাক্ষ্য দিলেন, পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই, যেটির মালিক আল্লাহ, সেটি কী অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তা হলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকেট দেব, বলছে না? যেটির মালিক মানুষ নয়, সেটির কথা যদি সে বলে, তা হলে সেটি শিরক করা হচ্ছে না? যেটির মালিক আল্লাহ একমাত্র। সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগে তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পর কেমন ঠকানো ঠকাবে, আপনারা বুঝেন এবার।’
অপরকে প্রথম জনসভায় বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোনো কার্ড দেওয়ার ওয়াদা করবে না জামায়াতে ইসলামী, ২ হাজার টাকা দিয়ে কিছুই হয় না। প্রত্যেকের জন্য ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই আমরা।’
কারও সমালোচনা করতে চান না উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নিজের দলের লোকজনকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি থেকে বিরত রাখতে পারবে আগামীর বাংলাদেশ তারাই গড়বে। দোকান-গাড়ি-ফুটপাথ সব জায়গায় চাঁদাবাজি হয়, সেটি আর হতে দেওয়া হবে না। সরকারি ট্যাক্সের বাইরে কিন্তু একটা ‘বেসরকারি ট্যাক্স’ আছে। রাস্তার পাশে বসে যে ভাইবোনটি ভিক্ষা করে, তার কাছ থেকেও সেই ট্যাক্স নেওয়া হয়। এই ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ, ট্যাক্সের নামে কোনো চাঁদাবাজি আর চলবে না। আমরা বলেছি, দুর্নীতি আমরা করব না এবং দুর্নীতি কাউকে করতেও দেব না।’
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে হ্যাঁ ভোটকে জয়যুক্ত করতে হবে। নির্বাচনে বিজয় কোনো পরিবারের হবে না।’
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক চাঁদাবাজির ট্যাক্স চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কাউকে এক পয়সাও চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোট নির্বাাচিত হলে এই বিজয় কোনো পরিবার বা কোনো দলের হবে না উল্লেখ করে আমিরে জামায়াত বলেন, এই বিজয় হবে জনগণের। ১০ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে জনগণের সরকার গঠিত হবে। তাই সারা দেশে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
আর ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ডের কথা বিএনপি বলছে, তা কারা পাবেন? যাদের প্রয়োজন তারা পাবেন কি? নাকি ২ হাজার টাকার কার্ড পেতে এক হাজার টাকা ঘুস দিতে হবে?
নাহিদ ইসলাম বলেন, একদিকে তারা কার্ড দেওয়ার কথা বলছেন, আরেক দিকে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিচ্ছে। যাদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে তারা তো আবার ক্ষমতায় গিয়ে লুট করবে। জনগণের টাকা মেরে খাবে, এমন ব্যক্তিদেরই নমিনেশন দিয়েছে দলটি।
তারেক রহমানের বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার ঘোষণা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, বস্তিবাসী ফ্ল্যাট চায় না। তারা চায় নিরাপদ জীবন, যা বস্তিতে থেকেও সম্ভব। অতীতে যারা বস্তিবাসীকে ফ্ল্যাট দিতে চেয়েছেন, তারা নির্বাচনের পর তাদের উচ্ছেদ করতে নেমেছেন। বস্তিবাসী এসব মিথ্যা আশ্বাস এখন বুঝতে পারে। তারা ফ্ল্যাটের আশায় নয়, দেশের স্বার্থে ন্যায়ের পক্ষে ভোট দেবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার বদলের নির্বাচন নয়, এবারের নির্বাচন দেশ পরিবর্তনের নির্বাচন। পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ আর সন্ত্রাসকে না বলতে দেশবাসীকে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, সরকারের একটি মহল কিছু কিছু প্রার্থীকে জয়ী করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রমাণ করতে পারব সরকারের একটি মহল কিছু কিছু প্রার্থীকে জয়ী করার চেষ্টা করছে। একজন রাষ্ট্রের প্রধান যখন নির্দিষ্ট কাউকে কাউকে ইঙ্গিত করে বলেন- জয়ী হয়ে আসবে, তার মানে তাদের জয়ী করার চেষ্টা করা হবে।’
নির্বাচন নিয়ে নিজের আশঙ্কার কথা জানিয়ে বিএনপি এই নেতা বলেন, ‘ভয় পাচ্ছি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। সরকারের একটি মহল বিশেষ কিছু প্রার্থীকে পরাজিত করার চেষ্টা করবে। সেখানে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব কি না জানি না। কিন্তু তারা চেষ্টা করবে।’
বিএনপি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বরাবরের মতো এবারও সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার সিলেট থেকে শুরু করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের নির্বাচনি প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন সিলেট নগরের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রথম জনসভার মধ্য দিয়ে। এর মধ্য দিয়ে দলের চেয়ারম্যান তো বটেই, জীবনের প্রথমবারের মতো ভোটযুদ্ধে নামলেন তারেক রহমান। সিলেট থেকে প্রচার শুরু করে ঢাকা ফেরার পথে তিনি সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। এ সময় ধানের শীষের প্রার্থীদের ভোটারদের কাছে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। প্রথম নির্বাচনি জনসভায় দেশবাসীর সাহায্য ও দোয়া কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে বুধবার রাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেটে হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের (রা.) মাজার জিয়ারত করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামী : দশ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছে ঢাকা-১৫ আসন মিরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জনসমাবেশের মধ্য দিয়ে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে দাঁড়িপাল্লার আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করে দলটি।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) : এনসিপি তাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত তিন নেতার শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও খাজা নাজিমুদ্দিন মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত এই তিন নেতার মাজার জিয়ারত শেষে শহিদ শরিফ ওসমান হাদির কবরও জিয়ারত করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। মাজার জিয়ারতের পর ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে আপনারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর মাধ্যমে সংস্কারের যাত্রাকে অব্যাহত রাখুন।
পোস্টার না থাকায় জৌলুস কম : প্রথমবারের মতো পোস্টার ছাড়াই শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার। বুধবার রাত ১২টার পর থেকে শুরু হওয়া ভোটের এ প্রচার আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
তবে এবার পোস্টার না থাকায় জাতীয় নির্বাচনের প্রচার অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। ভোটাররাও বুঝতে পারছেন না নির্বাচনের আমেজ। পোস্টার না থাকায় অনেকেই বিভিন্ন দলের বা স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চিনতে পারছেন না।
নির্বাচনি প্রচার শুরুর প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ঢাকা-২, ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪ ও ঢাকা-১৫ এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিন সরেজমিন শুধু পোস্টার নয়; মাইকিং ও বিলবোর্ডও চোখে পড়েনি কোথাও।
মোহাম্মদপুর ভাঙা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা সাদিক খান মিল্কি বলেন, পোস্টার ছাড়া জাতীয় নির্বাচন কেমন যেন ফ্যাকাসে লাগছে। কে দাঁড়াইছে না দাঁড়াইছে বুঝতে পারছি না। ভোটের প্রচারে কোনো আমেজ নেই।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচার : এদিন সকাল থেকেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সারা দেশের ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রচার শুরু করেন।
বৃহস্পতিবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন ঢাকা-১২ আসনে বিএনপির সাবেক নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব। তিনি বলেন, এই আসনে ফুটবল মার্কায় বিজয়ী হয়ে আমি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আসনটি উপহার দিতে চাই।
নিজ গ্রামের ভোটারদের সমর্থন চেয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল।
বৃহস্পতিবার বিকালে সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল বলেন, আপনাদের সমর্থন পেয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আপনাদের সমর্থন পেলে গুলিকেও ভয় পাই না। আমি আপনাদের সন্তান। আমি ওয়াদা করছি সুখে-দুঃখে সবসময় আমি আপনাদের পাশে থাকব। আপনারা ভয় পাবেন না, প্রশাসন সবসময় নিরপেক্ষ থাকবে। সুস্থ ও সুন্দর নির্বাচন হবে, আপনারা সবাই ভোট দিতে যাবেন।
গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী আলহাজ অধ্যক্ষ ইজাদুর রহমান মিলন বৃহস্পতিবার দুপুরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন, যা এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সময়ের আলো/এসকে/