সরকারি গোডাউনে চালের বদলে কেনা হচ্ছে ‘পশু-পাখির খাবার’

মাদারীপুর সংবাদদাতা

সারাদেশ

মাদারীপুরে সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে কম দামে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।স্থানীয় চাল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ,

2026-01-23T18:51:02+00:00
2026-01-24T19:04:36+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
সারাদেশ
সরকারি গোডাউনে চালের বদলে কেনা হচ্ছে ‘পশু-পাখির খাবার’
মাদারীপুর সংবাদদাতা
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম  আপডেট: ২৪.০১.২০২৬ ৭:০৪ পিএম  (ভিজিট : ১৭৫)
সরকারি গোডাউনে চালের বদলে কেনা হচ্ছে ‘পশু-পাখির খাবার’। ছবি : সময়ের আলো
মাদারীপুরে সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে কম দামে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। 

স্থানীয় চাল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকার ভালো দাম নির্ধারণ করলেও নিম্নমানের চাল গুদামজাত করা হচ্ছে। সংগ্রহ করা হাইব্রিড চালগুলোর খুচরা দাম প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকা। আর এসব চাল অত্যন্ত নিম্নমানের ‘হাইব্রিড’ চাল, যা সাধারণত পশু-পাখির ফিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এ চাল দিয়ে হাঁস-মুরগি ও মাছের ফিড তৈরি করা হয়।

জানা গেছে, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রতি বছর সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল ক্রয় করছে সরকার। খাদ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত দামে ধান, সেদ্ধ চাল ও আতপ চাল সংগ্রহ করা হয়। এ বছর আমন মৌসুমে প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ৫০ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা এবং ধান প্রতি কেজি ৩৪ টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে মাদারীপুর জেলায় সে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।

খাদ্য বিভাগের তথ্য মতে, মাদারীপুর সদর উপজেলায় এ বছর সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৬৫ টন। এর মধ্যে সদর উপজেলার ইটেরপুল খাদ্যগুদামে ৩০০ টন ও চরমুগরিয়া গুদামে ৩৬৫ টন চাল গুদামজাতের নির্দেশনা রয়েছে।

এদিকে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে চরমুগরিয়া ও ইটেরপুল খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে তাদের উপস্থিতিতে বেশকিছু বস্তার চালের স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়। সেগুলো চাল ব্যবসায়ীদের দেখানো হয়।  

চাল ব্যবসায়ী মফেজ আলী ও সুজন খান বলেন, এ ধরনের চাল পশু-পাখিকে খাওয়ার জন্য বিক্রি করা হয়। ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হয়।


জানতে চাইলে ইটেরপুল গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় সাহা বলেন, সরকারের নির্দেশনা মেনেই আমরা চাল সংগ্রহ করছি। মিল মালিকরা হাইব্রিড চালই দিচ্ছেন বেশি। হাইব্রিড চালের দাম কম হলে আমাদের কী করার আছে?

চরমুগরিয়া গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মল্লিক বলেন, আমাদের প্রায় সব চালই ভালো মানের। হয়ত কিছু চাল এদিক-ওদিক হতে পারে। সরকারের নির্দেশনা মেনেই আমরা চাল গুদামজাত করছি।

এসব বিষয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাংবাদিকরা কেন খাদ্যগুদামে গিয়েছেন?

নিম্নমানের চাল সংগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এফআর


  বিষয়:   মাদারীপুর  সরকারি গোডাউন  চাল 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: