এত বুঝিয়ে-শুনিয়েও বিদ্রোহী ঠেকাতে পারেনি বিএনপি। ভোটের মাঠে ধানের শীষের জয়ের পেছনে ঘরের প্রার্থীই গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সারা দেশে শেষ পর্যন্ত অন্তত ৮৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে ডজনখানেক নেতার জয়ের সম্ভাবনাও দেখছেন কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতারা।
তাদের কেউ কেউ বলছেন, বহিষ্কার না করে বিএনপির সর্বোচ্চ জায়গা থেকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বসিয়ে দেওয়ার দরকার ছিল কিন্তু বিএনপি সেটি পারেনি। মাঠে বিষয়টি বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বহিষ্কার করার পর তারা আরও স্বাধীনভাবে ভোটের মাঠে লড়াই করার সুযোগ পাচ্ছেন। যেসব স্থানীয় নেতা বিদ্রোহীর সঙ্গে মাঠে কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দল কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গতকাল পর্যন্ত ৮৩ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় প্রভাব পড়ছে ভোটের মাঠে। নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়াচ্ছে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা।
গত রোববার ময়মনসিংহের ভালুকায় নির্বাচনি প্রচার কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এমনকি বিএনপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আদি খান শাকিলের অফিসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঢাকা-১৪ আসনটিতে বিএনপির গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু। বাগেরহাটের চারটি আসনের প্রত্যেকটিতেই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়ে গেছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম নিজেও বাগেরহাট-১ আসনে নির্বাচন করছেন।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে নির্বাচন করছেন তিনজন। তারা হলেন— হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল আজিম এবং ফজলুল আজিমের সহধর্মিণী শামীমা আজিম।
দুই বন্ধু নেমেছে দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে : ২০০৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন হাসান মামুন ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এই দুই বন্ধু পরবর্তী সময়ে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ছিলেন। এবার নির্বাচনি মাঠে তারা উভয়ই বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে গিয়ে হয়েছেন বহিষ্কার।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে হাসান মামুন ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করছেন। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তাকে বিএনপি জোটগতভাবে মনোনয়ন দিয়েছে।
নুরের বন্ধু রাশেদ খান। যিনি সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন। পেয়ে যান ধানের শীষের টিকেট। তবুও স্বস্তিতে নেই রাশেদ খান। তার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন সেই হাসান মামুনের বন্ধু সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান সময়ের আলোকে বলেন, ঝিনাইদহ-৪ আসন বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা। বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে রয়েছে। স্বতন্ত্র নামে কেউ কেউ বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। এ কারণে কেউ কেউ বহিষ্কার হয়েছে। আমি আশা করি, এই এলাকার মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবে, ইনশাআল্লাহ। আর হাসান মামুনের ভাষ্য— মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগেই আমি পদত্যাগ করেছি দল থেকে।
বড় শঙ্কায় জোট মিত্ররা : বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার (কেটলি) সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম (ধানের শীষ)। পটুয়াখালীর-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের (ট্রাক) সঙ্গে ভোটের মাঠে দেখা হচ্ছে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনের।
ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে (কোদাল) ছাড় দেননি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক আহ্বায়ক ও যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব।
সিলেট-৫ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে (খেজুর গাছ) সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদকে (যিনি ‘চাকসু মামুন’ নামে পরিচিত) মোকাবিলা করতে হবে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমীকে (খেজুর গাছ) মোকাবিলা করতে হবে বিএনপির দুই ‘বিদ্রোহীকে’। তারা হলেন— বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহে আলম।
একইভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবীবের (খেজুর গাছ) সঙ্গে ভোটের মাঠে দেখা হবে বিএনপির সাবেক দুই নেতার। তারা হলেন—সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা এবং জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে।
বিদ্রোহী এসব প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে অনেক আগেই। তবুও ভোটের মাঠ ছাড়তে নারাজ তারা।
সাইফুল আলম নীরব সময়ের আলোকে বলেন, আমি বৃহত্তর তেজগাঁওয়ের সন্তান। আমি জনগণের চাহিদার চাপে প্রার্থী হয়েছি। আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমি একটি চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত সামাজিক বন্ধনের ঢাকা-১২ গড়তে চাই।
তিনি বলেন, আমি শহিদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার সৈনিক, আমি তারেক রহমানের সৈনিক, আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী। এখানে কোনো ধানের শীষ প্রতীক নাই, ধানের শীষ মানেই ফুটবল। এই আসনে বিএনপি মানেই ফুটবল। ঢাকা-১২তে শহিদ জিয়ার মার্কা ফুটবল। এই আসনে ফুটবল মার্কায় বিজয়ী হয়ে আমি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আসনটি উপহার দিতে চাই।
আর বিএনপি জোটের কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক সময়ের আলোকে বলেন, বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কার করেছে। তবে বহিষ্কার না করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের বসিয়ে দিতে পারলে ভালো হতো। বহিষ্কারের পর তাদের মধ্যে এক ধরনের অহমিকা চলে আসছে। বহিষ্কারের পর তারা মনে করছে এখন নির্বাচন করলে তাদের কোনো অসুবিধা হবে না। তারা নির্দলীয় প্রার্থী।
তিনি বলেন, আমার নির্বাচনি আসনেও একজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। এটা খানিকটা বিব্রতকর কিন্তু আমাদের শিবির এ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়। কেননা দল ছাড়া হীরকরাজাও দিনশেষে জিরো। এখনও সময় আছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়।
তবে সেদিক থেকে নিরাপদ রয়েছেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি (মাথাল), নীলফামারী-১ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী (খেজুর গাছ) এবং ভোলা-১ আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তাদের এখানে বিএনপির কোনো ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নেই।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে তিনি বিএনপিতে এসেছেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পরই তাকে ওই আসনে প্রার্থী করা হয়। ভোটে তাকে বিএনপির ‘বিদ্রোহীকে’ মোকাবিলা করতে হবে। সেখানে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল প্রার্থী হয়েছেন।
‘বিদ্রোহীর’ ঝামেলা থেকে বেঁচে গেছেন ববি হাজ্জাজ এবং শাহাদাত হোসেন সেলিম। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ছিলেন ববি হাজ্জাজ। তিনি দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং ঢাকা-১৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন।
একইভাবে নিজের দল বিএলডিপি বিলুপ্ত করে সঙ্গীসাথী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়ে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন শাহাদাত হোসেন সেলিম। পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। অন্যদিকে পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনিও ‘বিদ্রোহের’ ঝামেলামুক্ত।
নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে মোকাবিলা করতে হবে।
একইভাবে যশোর-৫ আসনে ইসলামি ঐক্যজোটের রশীদ আহমাদ (মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস) বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষে নির্বাচন করছেন। কিন্তু ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পেয়েছেন মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহীদ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান তফসিলের আগে দল ছেড়ে দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপি তাকে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী করে। কিন্তু রাশেদকে সেখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে মোকাবিলা করতে হবে।
একইভাবে এলডিপির মহাসচিবের পদ ছেড়ে পুরোনো দল বিএনপিতে ফিরে আসেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদ। দল তাকে কুমিল্লা-৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী করেছে। তাকেও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওনের সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে।
বিএনপির সমঝোতার ক্ষেত্রে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনটি ‘ব্যতিক্রম’। কারণ অন্য কোথাও বিএনপি নেতারা জোটকে ছেড়ে দেওয়া আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হতে পারেননি। জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল মাহমুদুর রহমান মান্নাকে। সময়ের আলোকে তিনি বলেন, বিএনপি আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করেও দল থেকে আরেকজনকে ধানের শীষ প্রতীক দিল; আমার বুঝে আসে না। বিএনপি কোনো ব্যাখ্যাও দেয়নি। হয়তো তারা আমাকে ‘ইগনোর’ করেছে।
আরও চার নেতা বহিষ্কার : সোমবার টাঙ্গাইলে বিএনপির আরও এক বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি হলেন টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল হালিম। হালিম কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। একই অভিযোগে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপির আরও দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আরেক সদস্য মজিবুর রহমান। তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব (বর্তমানে বহিষ্কৃত) মো. মহিউদ্দিন।
এফআর