দেখো কাগজের চোখগুলো কেমন ঘোলাটে, নিষ্প্রভ
রেটিনায় শেলের আঘাত যেন বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা
এই চোখে নেই জীবন্ত স্মৃতি নেই কোনো মহোৎসব।
নিকষ অন্ধকারে দাঁত কিড়মিড় করছে গোটা পৃষ্ঠা
পোর্টফলিওর ভেতরে শুধুমাত্র একটি পেপারক্লিপ
আর ফাইলপত্রে ফসলের বাম্পার ফলনের খবর।
হলঘরের দেয়ালগুলো বিদীর্ণ করা চোখ কই
কই সে চোখ যার দৃষ্টিতে সমস্ত পৃথিবী ঘুরবে
চক্রান্তকারী পিশাচ নিজের ছবি দেখে চমকাবে!
ইস্পাতফলার মতো শব্দ চোখে উঠে আসবে কবে
যুদ্ধের রক্তিম আকাশের মতো ঝলসাবে না তবে?
একপেশে দেখা আর শেষই হবে না পৌঁছুবে না চূড়ায়?
স্বর্ণখচিত কোনো পূর্ণ পৃষ্ঠা নেই, এই কাগজের চোখে
পরে আছে ঠুলি নয় ধূসরবর্ণ বিদেশি পোশাক, তা
সুকান্ত-নজরুলের হয়ে কেউ কবিতায় লিখে দেখাক।
দাঁতের সেলাই খুলে ফেল পরিহার কর শ্যাওলার দাপট
চোখের কলমে কোনো মহৎ শিল্পী এঁকে দিক সরলরেখা
তবেই স্পষ্টতর হবে অত্যাচার আর অন্যায়ের বলিরেখা।
এফআর