মোটরসাইকেল ও আইফোন কেনার জন্য অপহরণের নাটক সাজিয়ে বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করেছে মুরাদ হোসেন (১৯) নামে এক কলেজছাত্র। তবে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা তৎপরতায় ধরা পড়ে গেছে সাজানো নাটক।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত মো. মুরাদ হোসেন রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক এলাকার মো. মিলন মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, গত বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মুরাদ। এরপর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে পরিবারের কাছে ফোন করে অপহরণের কথা জানিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
এদিকে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে এবং মুক্তিপণের ফোন পেয়ে পরিবার ওইদিন রাতেই দীঘিনালা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। বিষয়টি দীঘিনালা সেনাক্যাম্পেও জানানো হয়।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ছোট মেরুং এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুরাদকে উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে মুরাদ স্বীকার করেন, কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তাকে একটি মোটরসাইকেল ও একটি আইফোন কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাবা মিলন মিয়া। তবে দীর্ঘদিনেও তা পূরণ না হওয়ায় তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজান। পরে তাকে নিরাপদে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, মুরাদের পরিবার তাকে খুঁজে না পেয়ে রাতে থানায় জিডি করেছিল। উদ্ধারের পর জানা যায়, বাবার কাছ থেকে টাকা আদায় করতেই সে আত্মগোপনে গিয়েছিল। তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/আআ