আগামীকাল থেকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের নাম ছবি প্রকাশ করার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শহিদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে এই নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব হলেন আব্দুল্লাহ আল জাবের।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন দল থেকে যেসব ঋণ খেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে, যারা ইলেকশনে অংশগ্রহণ করছে আমরা তাদের প্রত্যেকের নাম ধরে ধরে কে কত টাকা ঋণখেলাপি করেছে, কোন আসন থেকে দাঁড়িয়েছে, তার ছবিসহ আগামীকাল ইনকলাব মঞ্চ থেকে প্রকাশ করব। আমরা জনগণকে আহবান জানাব আপনারা তাদেরকে ভোট দিবেন না।
তিনি আরো বলেন, দৈত্ব নাগরিক যারা এই ইলেকশনে অংশগ্রহণ করেছে আমরা তাদের নামও প্রকাশ করব, কোন আসন থেকে ইলেকশন করছে সেটা সহ। তাদেরকে ভোট না দেওয়ার জন্য আমরা জনগণকে আহ্বান জানাব। যারা আজকে বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসবে কালকে বিপদে পড়লে বিদেশে পালিয়ে যাবে তাদেরকে আমরা ক্ষমতায় আনতে চাই না।
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশের জনগণের কাছে একটা সম্ভাবনা এসে উপস্থিত হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশের জনগণের সামনে জনগণের নিজ হাতে ক্ষমতা নেয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সুতরাং জুলাই গণভোটে আমরা সকলে হ্যাঁ ভোট দিয়ে বাংলাদেশকে এলিট ক্লাসের কাছ থেকে বাংলাদেশের রিকশাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, সিএনজিওয়ালা, গার্মেন্টস শ্রমিক আমরা প্রত্যেকের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা তুলে দেব।
তিনি আরো বলেন, আজাদির প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ আর কোন ছাড় দিবে না। যে জনগণ রক্ত দিতে শিখে গিয়েছে, যেই জনগণ একবার যুদ্ধের ময়দানে নেমে এসেছে, যেই জনগণকে তার মায়েরা তার বোনেরা যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেয় যে যুদ্ধ করো- তাদের আর পিছনে ফিরে তাকানো লাগে না। ইনকিলাব মানেই বিপ্লব। ইনকিলাব মানে হচ্ছে সংগ্রাম। এই বিপ্লব, এই সংগ্রাম শুধু ইনকিলাব মঞ্চের নয়। এই সংগ্রাম তো বাংলাদেশের মানুষের ,বাংলাদেশের আপন জনগণের। জুলাই মানে হচ্ছে বাংলাদেশের আজাদী, জুলাই মানে হচ্ছে সীমান্তের আজাদী, জুলাই মানে হচ্ছে সার্বভৌমত্বের আজাদী। সুতরাং এই জুলাই যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই জুলাইয়ের লড়াই চলতেই থাকবে।
সময়ের আলো/জেডআই