রোমান্টিক, কমেডি, সিরিয়াস গল্পের পর এবার নিরীক্ষাধর্মী নাটকে অভিনয় করলেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির। সেরনিয়াবাত শাওন পরিচালিত নাটকের নাম ‘মৎস্যকন্যা’। এক মৎস্যকন্যাকে ঘিরে এগিয়েছে এর গল্প। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে সাফাকে। নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। সম্প্রতি কক্সবাজারে এর শুটিং হয়েছে।
নাটকটি প্রসঙ্গে সাফা বলেন, ‘কাজটি করে মনে হয়েছে, নিরীক্ষাধর্মী একটি নাটক অভিনয়জীবনে যোগ হয়েছে। এর গল্পটা এক মৎস্যকন্যাকে নিয়ে। এটার জন্য মারমেইডের একটা কস্টিউম ব্যবহার করা হয়েছে। মারমেইডের কস্টিউম পরে সাঁতার কাটাও খুব চ্যালেঞ্জিং। এক দিন টানা ছয় ঘণ্টা মারমেইড পোশাক পরে থাকতে হয়েছে। ওই পোশাক পরার পর আমাকে ধরাও যাচ্ছিল না। পোশাকটা এমনভাবে বানানো, যে ধরে, তারই অস্বস্তি হচ্ছিল।
এই পোশাকের কারণে শরীরের কোথাও চামড়া ছিলে গেছে। নাটক তো আমি অনেক দিন থেকে করছি, দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার চেষ্টা সবসময় থাকে। সে চিন্তা থেকে এমন চ্যালেঞ্জ নেওয়া। দর্শক একটা গল্পে নতুনভাবে দেখুক, এমনটাই চেয়েছি।’
সাফা বলেন, এর আগে কখনো এ রকম ইলিউশনধর্মী কাজ বেশি করা হয়নি। ‘মৎস্যকন্যা’য় মারমেইডের পোশাক পরে ঝাঁপ দিয়ে সাগরে ডুব দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি ছিলাম। যে করেই হোক দৃশ্যটা করব, এমনই ছিল চাওয়া। পরিচালকসহ ইউনিটের সবাইকে বলেছিলাম, যদি ভেসেও যাই, মরেও যাই, আমি শটটা দিতে চাই। টিমকে বলেছিলাম, যদি পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে উঠে না আসি, তা হলে তোমরা আমাকে নিয়ে এসো। অভিনয়জীবনে এমন ঝুঁকি এর আগেও কয়েকবার নিয়েছি, যা কখনো বলা হয়নি।
ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় পার করেছেন সাফা। চাহিদা থাকলেও বর্তমানে খুব কম কাজ করছেন তিনি। পছন্দমতো গল্প না হলে অভিনয় করছেন না তিনি। সাফা বলেন, এ পর্যন্ত অনেক গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে বর্তমানে বেছে বেছে কাজ করছি। সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ব্যতিক্রমী কাজে পরিতৃপ্তি অনুভব করি। এমন গল্পে কাজ করতে চাই যে চরিত্রে দর্শক আগে কখনো আমাকে দেখেনি। চ্যালেঞ্জিং চরিত্র খুঁজে বেড়াই সবসময়।