বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

সারাদেশ

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পারা গ্রামের মানিক

2026-02-04T12:58:35+00:00
2026-02-04T13:02:49+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
বিয়ের ফাঁদে ফেলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম  আপডেট: ০৪.০২.২০২৬ ১:০২ পিএম
প্রতীকী ছবি
বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পারা গ্রামের  মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরোন হাওলাদার (৪০) ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। 

ভুক্তভোগী নারী জানান, তার বাড়ি সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া এলাকায়। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী মহিপুর এলাকায় ভিক্ষা করেন। হিরোন দীর্ঘদিন ধরে তার পিছু নেয় এবং বিয়ের প্রস্তাব দিতে থাকে। বিশ্বাস অর্জনের অংশ হিসেবে হিরোন ও তার ভাই শিমুলের সঙ্গে মোবাইলফোনে ভুক্তভোগীর পরিবারে কথা বলানো হয়। সে সময় শিমুল দাবি করেন, হিরোন অবিবাহিত এবং তার কোনো স্ত্রী কিংবা সন্তান নেই যা পরে প্রতারণা বলেই প্রমাণিত হবে।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আসরের নামাজের সময় মোটরসাইকেলে করে তাকে মহিপুর থেকে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে নিয়ে আসা হয়। এশার আযানের সময় তাকে একটি ফাঁকা ঘরে রাখা হয়। ওই সময় আশপাশে কেউ ছিল না। পরিকল্পিতভাবে কিছুক্ষণ পর সেখানে হিরোনের সঙ্গে আরও তিনজন ব্যক্তি উপস্থিত হয়।

এক পর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে চারজন মিলে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযুক্তদের মধ্যে শুধু হিরোনের নাম জানলেও বাকি তিনজনের পরিচয় তিনি জানেন না।

ভুক্তভোগী আরও জানান, ফজরের আযানের সময় অভিযুক্তরা ধূমপানের উদ্দেশ্যে ঘর ছেড়ে চলে যায়। জীবন বাঁচাতে তিনি ফাঁকা ঘর থেকে পালিয়ে পাশের একটি স্থানে লুকিয়ে থাকেন। পরে মসজিদের মাইকের শব্দ শুনে মুসল্লিদের কাছে গিয়ে সাহায্য চান।

এলাকাবাসী জানান, হিরন বিভিন্ন সময় এখানে নারীদের নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। তাই তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলে না। এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ঘটনা সংবাদ শুনে পুলিশ গিয়েছে। ভিক্টিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হবে। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সময়ের আলো/জোআই


  বিষয়:   তালতলী  বিয়ে  নারী  সংঘবদ্ধ ধর্ষণ 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: