তরুণ্যের জয়যাত্রার আগামী সংসদ

এম মামুন হোসেন

ঘনিয়ে আসছে জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ। এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ২৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সি প্রার্থীর সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি।

2026-02-06T01:53:52+00:00
2026-02-06T01:56:28+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
তরুণ্যের জয়যাত্রার আগামী সংসদ
এম মামুন হোসেন
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫৩ এএম  আপডেট: ০৬.০২.২০২৬ ১:৫৬ এএম
প্রতীকী ছবি
ঘনিয়ে আসছে জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ। এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ২৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সি প্রার্থীর সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি। বিপরীতে দীর্ঘদিন ধরে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করে আসা প্রবীণ প্রার্থীদের সংখ্যা অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারও তুলনামূলকভাবে কমেছে। নবম জাতীয় সংসদের প্রার্থীদের গড় বয়স যেখানে ৭২ বছরের বেশি ছিল, এবার সেখানে প্রার্থীদের গড় বয়স দাঁড়িয়েছে ৫১.৮ এ। এই পরিসংখ্যান নির্বাচনি রাজনীতিতে প্রজন্মগত পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বয়সভিত্তিক বিন্যাস দলগুলোর কৌশলগত সিদ্ধান্তেরই প্রতিফলন। তারা মনে করছেন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও নগরজীবনের মতো সমসাময়িক ইস্যুতে তরুণ ও মধ্যবয়সি ভোটারদের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই প্রার্থী তালিকা সাজানো হয়েছে। 

সব মিলিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ হতে যাচ্ছে তারুণ্যের জয়যাত্রার।

প্রার্থীদের বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যান : এবারের নির্বাচনে ২৫-৫৪ বছর বয়সি প্রার্থী অর্ধেকেরও বেশি, সংখ্যার হিসেবে ৫৮.২৯ শতাংশ। ২৫-৩৪ বছর বয়সি প্রার্থী ৯.৪১ শতাংশ, ১৯ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ৩৫-৪৪ বছর আর ৪৫-৫৪ বছর বয়সসীমায় আছেন ২৯.৮৮ শতাংশ প্রার্থী। এ ছাড়া ২৪.৩৭ শতাংশ প্রার্থীর বয়সসীমা ৫৫-৬৫ বছর এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সি প্রার্থী আছে ১৭.৩৫ শতাংশ।

জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের গড় বয়স পর্যায়ক্রমে কমে আসছে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের গড় বয়স ছিল ৭২.০১, দশম নির্বাচনে ৬৬.৫২, একাদশ নির্বাচনে ৬৩.৩৬ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যা ছিল ৫৬.৫১। আর আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের গড় বয়স ৫১.৮, যা অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে কম।

অংশ নিচ্ছে ৫১ দল, প্রার্থী ১ হাজার ৯৮১ : গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে হলফনামায় মোট ৯টি তথ্য জমা দেওয়ার বিধান করা হয়। হলফনামায় দেওয়া এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা ও আয়ের উৎস, মামলার বিবরণী, প্রার্থীর নিজের ও তার নির্ভরশীলদের আয়-ব্যয়, আয়কর বিবরণী, সম্পদ এবং দায়দেনা। নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ পুনরায় সংশোধন করে সেখানে আরও কিছু পরিবর্তন সংযুক্ত করে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো, প্রার্থীর নিজের এবং তার নির্ভরশীলদের আয়-ব্যয় হিসাব জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে শব্দদ্বয় যুক্ত করা। একই সঙ্গে হলফনামায় দেখানো সম্পদের অর্জনকালীন মূল্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিতে বর্তমান বাজারমূল্য ঘোষণার বিধানও যোগ করার হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ বেশ কয়েকটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও ৫১টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। যেখানে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৮১ জন, যা সবশেষ পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৩৮টি রাজনৈতিক দল ও মোট ১ হাজার ৫৬৭ জন প্রার্থী। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ নির্বাচনেও সমানসংখ্যক দল অংশগ্রহণ করলেও প্রার্থী সংখ্যা বেড়ে হয় ১ হাজার ৮৬১ জন। 

আর ২০২৪ সালে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩১টি রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৮৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ চার নির্বাচনে সবচেয়ে কম ১২টি দল অংশগ্রহণ করে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, ১৪৭ আসনে প্রার্থী সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৯০ জন। ৩০০ সংসদীয় আসনের বাকি ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন প্রার্থীরা।

২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর ১৩ শতাংশ অর্থাৎ ২৪৯ জন স্বতন্ত্র বা দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকে নির্বাচন করছেন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় প্রায় দশ শতাংশ কম। ২০২৪ সালের নির্বাচনে মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৫৪ শতাংশ অর্থাৎ ৪৪৬ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র বা দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকে নির্বাচন করেছিল, যা ২০০৮ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৪০, ১০৫, ১৩৪ জন।

প্রার্থী সংখ্যা আগের চার নির্বাচনের চেয়ে বেশি হলেও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলগতভাবে কোনো দলই শতভাগ আসনে (৩০০) প্রার্থী দেয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি সর্বোচ্চ ২৮৮, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন ২৫৩, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৪, জাতীয় পার্টি (জাপা) ১৯২, গণঅধিকার পরিষদ ৯০, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ৬৫, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ৪২, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৩৯, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ৩২, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩০টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা মোট সংখ্যা হিসেবে তৃতীয় অবস্থানে আছে।

৩০০ আসনে প্রার্থী নেই কোনো দলের :
নির্বাচনে মোট ৩০০ আসনের জন্য ২ হাজার ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৭৮, যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশেরও কম। ৭৮ নারী প্রার্থীর অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত। তাদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ কর্মজীবী। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী এই নারী প্রার্থীদের মধ্যে ৬০ জন স্নাতক বা স্নাতকোত্তর অর্থাৎ প্রায় ৭৭ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত। 

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সি প্রার্থী ৩০ জনের বেশি। পেশাগতভাবে ৬৫ শতাংশ নারী কর্মজীবী।

শতকোটির মালিক ২৬ জন : প্রার্থীদের জমা দেওয়া নির্বাচনি হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ২৬ জন শতকোটি টাকার মালিক। একই সঙ্গে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন ৮৯১ জন। 

টিআইবির প্রতিবেদন ও প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থীর তালিকা পাওয়া গেছে। ধনী প্রার্থীদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। 

নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী তার ও তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ৬০৭ কোটি টাকা। আবদুল আউয়াল মিন্টু বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। হলফনামা অনুযায়ী তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তার নিজের নামে থাকা সম্পদের মূল্য ৫০৭ কোটি টাকা। তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালের নামে রয়েছে ১০০ কোটি টাকার সম্পদ। তিনিও পেশায় ব্যবসায়ী।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। তার ও তার স্ত্রী জামিলা নাজনীল মাওলা এবং কন্যা মেহরীন আনহারের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৪৭৪ কোটি টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তারা তিনজনই পেশায় ব্যবসায়ী। বিভিন্ন ব্যাংকে ৩৪৫ কোটি টাকা ঋণের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেছেন আসলাম চৌধুরী। 

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের মূল্য ২৯৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ। তিনি ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার দুজনই ব্যবসায়ী। হলফনামা অনুযায়ী ফখর উদ্দিনের ব্যাংক ঋণ ১৫ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের। তার ও তার স্ত্রী নাজনীন আহমেদের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২৯২ কোটি টাকা। তারা দুজনই পেশায় ব্যবসায়ী। তার হলফনামায় ঋণের কোনো তথ্য নেই।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া ২৫৬ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে তিনজন রয়েছেন শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায়। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী তার ও তার স্ত্রী সুলতানা জাহানের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট বাজারমূল্য ২৮৩ কোটি টাকা।

ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম। বিএনপির সাবেক এই সংসদ সদস্য বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার একার নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২৬২ কোটি টাকা। প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার দায় রয়েছে এম এ এইচ সেলিমের। বিশ্লেষকদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি বড় অংশ ব্যবসায়ী হওয়ায় অর্থনৈতিক সক্ষমতাই তাদের নির্বাচনি শক্তির প্রধান ভরকেন্দ্র হয়ে উঠছে।

শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায় বিএনপির প্রার্থী মোট সাতজন। সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন চাঁদপুর-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. জালাল উদ্দীন। তার ও তার স্ত্রী শাহনাজ শারমীনের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২৪৯ কোটি টাকা। তারা দুজনই পেশায় ব্যবসায়ী। এর আগে মো. জালাল উদ্দীন ঢাকাস্থ স্পেন দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন।

অষ্টম অবস্থানে রয়েছেন বগুড়া-৫ আসনের বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তার স্ত্রী শাহনাজ সিরাজ, পুত্র আসিফ রাব্বানী এবং তিনি নিজেও পেশায় ব্যবসায়ী। তাদের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২০৪ কোটি টাকা। একটি ব্যাংকে ২৭ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে অষ্টম স্থানে থাকা গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের।

নবম স্থানে রয়েছেন নোয়াখালী-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের বর্তমান মূল্য ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২১ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তার স্ত্রী শামীমা আজিমের নামে। পেশায় তারা দুজনই ব্যবসায়ী। শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থীর তালিকায় দশম অবস্থানে আছেন শরীয়তপুর-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. সফিকুর রহমান। টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী তার সম্পদের বর্তমান মূল্য ১৮৫ কোটি টাকা। তিনিও পেশায় ব্যবসায়ী। দুটি ব্যাংকে ৪১ কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে তার।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর সময়ের আলোকে বলেন, পরিবর্তনের এই ধারা জুলাই বিপ্লবের অর্জন এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। এই প্রজন্মের সঙ্গে পুরোনো রাজনীতিবিদদের চিন্তাভাবনার একটি গুণগত পার্থক্য রয়েছে। এ পার্থক্যটাই পরিবর্তিত বাংলাদেশ এনে দেবে বলে মনে করেন তিনি।

এফআর


  বিষয়:   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন  প্রার্থী  নির্বাচন  বিএনপি  জামায়াত  এনসিপি  তরুণ্য  জয়যাত্রা  আগামী  সংসদ 


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: