জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যামিলি কার্ড, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহার দিয়েছে বিএনপি। যেখানে মোটাদাগে দলটি গুরুত্ব দিয়েছে ৯টি

2026-02-07T00:23:26+00:00
2026-02-07T00:23:26+00:00
 
  সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬,
৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৩ এএম 
ফাইল ছবি
ফ্যামিলি কার্ড, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহার দিয়েছে বিএনপি। যেখানে মোটাদাগে দলটি গুরুত্ব দিয়েছে ৯টি প্রতিশ্রুতির ওপর। ভোটে জিতে সরকার গঠন করতে পারলে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে চায় বিএনপি।

শুক্রবার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেন। পাঁচটি অধ্যায়ে ভাগ করে দুর্নীতিমুক্ত মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার সাজানো হয়েছে।

বেলা সাড়ে ৩টায় ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ে কুরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি বলছে, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। ইশতেহারে বলা হয়েছে- বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন, অধিকার বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা- এই নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

জনগণের রায়ে দায়িত্ব পেলে বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, সেখানে ভোটের মর্যাদা থাকবে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান হবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকবে না এবং প্রতিটি নাগরিক গর্ব করে বলতে পারবে- সবার আগে বাংলাদেশ।

যে ৯ বিষয়ে অগ্রাধিকার : প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থসেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।

কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।

দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।

তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণব্যবস্থা চালু করা হবে। ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রফতানি সম্প্রসারণ করা হবে।

এটি তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা। এর আগে পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম সংসদ নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দেন তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সে সময় তিনিই প্রতিটি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন। ২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অংশ নিলেও সেই সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দী ছিলেন। তাই একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শেখ হাসিনার অধীনে দশম ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বয়কট করেছিল বিএনপি।

পাঁচ অধ্যায়ের ইশতেহার : বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহার পাঁচ ভাগে ভাগ করেছে। সেগুলো হলো-  রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন, ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি। রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারকে আবার পাঁচ ভাগে ভাগ করেছে বিএনপি। এর মাঝে আছে গণতন্ত্র ও জাতিগঠন; মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থান; সাংবিধানিক সংস্কার; সুশাসন এবং স্থানীয় সরকার।

বিএনপি মূলত বিগত সময়ে তাদের ঘোষিত ৩১ দফাকেই সামনে এনেছে। এ বিষয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি যখন ৩১ দফা দেয়, তখন জুলাই সনদের বিষয়টি তখন ছিল না। জাতি গঠন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। জুলাই সনদের অনেক কিছুর সঙ্গে ৩১ দফার মিল আছে। রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারের মাঝে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানসহ ‘ফ্যাসিস্ট আমলের মানবতাবিরোধী অপরাধের’ সুবিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি, এটিকে কীভাবে একটি পরিবারের বা দলের করার চেষ্টা করে হয়েছে। তাই নিরপেক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া সাংবিধানিক সংস্কারের প্রথমেই থাকছে ‘সর্ব শক্তিমান আল্লাহ’র প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটিকে সংবিধানের মূলনীতি করা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান জানান, শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কল্যাণার্থে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে তিনি একটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করতে চান।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় যেতে পারলে দুর্নীতি দমন এবং আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, আমরা যদি এই তিনটি বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করি, তা হলে আমরা আমাদের কোনো পরিকল্পনাকেই সফল করে গড়ে তুলতে পারব না। ইশতেহারে তারেক রহমান বলেন, ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েই বিএনপি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করে। কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য খালেদা জিয়ার সরকার তৎকালীন ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’কে সরকারের হস্তক্ষেপমুক্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন সংস্থা হিসেবে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’ গঠন করে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপের কারণে প্রথম বছর থেকেই দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশ অগ্রগতি লাভ করতে শুরু করে। ফলে ২০০২ সালে প্রকাশিত টিআইবি রিপোর্টে বাংলাদেশের স্কোর ০.৪ থেকে উন্নীত হয়ে ১.২ হয়। ২০০৩ সালে ১.৩, ২০০৪ সালে ১.৪, ২০০৫ সালে ১.৫ এবং ২০০৬ সালে ২.০। অর্থাৎ ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশে দুর্নীতি কমতে থাকে। প্রায় দুই ঘণ্টার বক্তৃতার একেবারে শেষে আবারও দুর্নীতি ও সুশাসন নিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আজকে এখানে দাঁড়িয়ে আমার দলের পক্ষ হয়ে আমি আপনাদের এতটুকু বলতে চাই- আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইনশাআল্লাহ সরকার গঠনে সক্ষম হলে, আমাদের সর্বাধিক আর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে এই তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা- দুর্নীতি, আইনের শাসন এবং জবাবদিহি। যেকোনো মূল্যে আমরা এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।

ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে- বিএনপি জনগণের সরকার হিসেবে শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে গৃহীত ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে। উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার শাসনামলে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ-আসল মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের কষ্ট লাঘব করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল। রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ কার্যকর ও শক্তিশালী করা হবে বলেও জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান বলেন, যে বিএনপি বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’-  এই দুটি বিষয় যুক্ত করেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটিকে সরিয়ে দেয়। তাই বিএনপি ক্ষমতায় এলে এটিকে পুনঃস্থাপন করতে চায়। তিনি স্থানীয় সরকারব্যবস্থার ওপরও বিশেষভাবে জোর দেন।

তিনি জানান, স্থানীয় সরকারকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে দেশের অনেক সমস্যার সমাধান স্থানীয়ভাবে করা সম্ভব।

এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, উপরাষ্ট্রপতি পদ সৃজন, জুলাই সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেউ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না বলে ধারা যুক্ত করা হয়েছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংসদে উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, উচ্চকক্ষে ১০ শতাংশ নারী, বিরোধীদলীয় ডেপুটি স্পিকার, ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান, জুলাই হত্যার বিচার, গণঅভ্যুত্থানকারীদের আইনি সুরক্ষাসহ আরও অনেক বিষয় এতে উল্লেখ আছে।

ইশতেহার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শফিক রেহমান, মতিউর রহমান ও মতিউর রহমান চৌধুরীসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিরা।

শরিক দলের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণফোরাম সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রব ইউসুফীসহ সিনিয়র নেতারা ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাসমুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ। এ ছাড়া অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক আনম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে সবশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।

এএডি/


Loading...
Loading...
- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: