ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান তার কূটনৈতিক লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া এ ভিসি সংসদ নির্বাচনের মাত্র ২ দিন আগে এ পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। এর আগে, ড. নিয়াজ আহমদের রাষ্ট্রদূত হওয়া নিয়ে নানা আলোচনা চলে।
নির্ভরযোগ্য এক সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, অধ্যাপক নিয়াজ আহমদের প্রথমে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হওয়া নিয়ে আলোচনা চলে। পরে তা পরিবর্তন করে ইরানে দেওয়া হয়। কিন্তু ইরানের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায় তিনি ইরানে জাননি। ইতোমধ্যে ভিসি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সাধারণত কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট দায়িত্বকালীন বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। দায়িত্ব শেষ হলে স্বাভাবিকভাবে ফেরত যায়। কিন্তু এখানে নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে যখন নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষা চলছে, তখন নিয়াজ আহমদ খান লাল পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। এই তড়িঘড়ি অনেকের কাছেই সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তত ১৫ জন উপদেষ্টা একই পথ বেছে নিয়েছেন।
এর আগে (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, পদত্যাগের আগে তিনি লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন।
/এমএইচআর