পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন বিএনপি জোটের প্রার্থীরা, আর একটিতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। একই সঙ্গে সব আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি জোটের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী ১,৫০,৪৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আলম ৫৭,৯৯৪ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনে গণভোটে হ্যাঁ ভোট ১,৫৩,০৯২ এবং না ভোট ৮৯,২৬৮।
পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ৯৯,৭৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদার ৭২,১৯১ ভোট পেয়েছেন।
গণভোটে হ্যাঁ ভোট ১,১৩,১০০ এবং না ভোট ৬১,০০৫।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর। ট্রাক প্রতীক নিয়ে তিনি ৯৬,৪৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সাবেক জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন (ঘোড়া প্রতীক) ৭৯,৬১৯ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনে গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১,৩১,১১৪ এবং না ভোট ৭৬,৫৫৪।
পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপি জোটের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন ১,২৩,৩৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৬৯,৭৭৬ ভোট পেয়েছেন।
গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১,২৫,৪৫৮ এবং না ভোট ৬১,৮৮৯।
ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রদান করে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। ফলাফল ঘোষণার পর সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা বিজয়ী প্রার্থীদের স্বাগত জানান।
সময়ের আলো/আরবিএন