পাবনার পাঁচটি আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে ৩টিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী, আর ২টিতে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী।
তবে পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনে বিএনপির ধানের শীষের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন।
পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে জামায়াতের প্রয়াত আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৬৬৩ ভোট।
পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনে বিএনপির সাবেক এমপি কেএম সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ২৪২ ভোট।
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর আলী আছগার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপি মনোনীত হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
পাবনা-৫ (সদর) আসনে বিএনপির শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১ লাখ ৮১ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবনা ৩ ও ৪ আসনের বিএনপি ধানের শীষের হেভিওয়েট প্রার্থীরা পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সতন্ত্র বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা উল্লেখ করা হচ্ছে।
এছাড়া উভয় প্রার্থী ভোট গ্রহণে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং ভোট পুনঃগণনার দাবিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভও করেছেন।
এবারের নির্বাচনে পাঁচটি আসনের ভোট গ্রহণ সুষ্ঠুভাবে হয়েছে, তবে নির্বাচনের পরবর্তী সময় কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
সময়ের আলো/আরবিএন