স্ট্রবেরি ফিল্ডস ফরএভার অ্যান্ড এভার / মূল : মিয়েকো কাওয়াকামি

সময়ের আলো ডেস্ক

সাহিত্য

অপেক্ষা। হাঁচিটা আসছে ভেবেছিলাম। এলো না। না আসে, না আসুক। মনে পড়ল, একবার ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ফ্রোজেন সেকশনটায় দাঁড়িয়ে সে বলেছিল,

2026-02-20T21:18:20+00:00
2026-02-20T21:23:45+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সাহিত্য
বাঙলায়ন : মাহমুদ আলম সৈকত
স্ট্রবেরি ফিল্ডস ফরএভার অ্যান্ড এভার / মূল : মিয়েকো কাওয়াকামি
জাপানি থেকে ইংরেজি : হিতোমি ইয়োশিও
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম  আপডেট: ২০.০২.২০২৬ ৯:২৩ পিএম
লেখক মিয়েকো কাওয়াকামি। ছবি : সংগৃহীত
পেক্ষা। হাঁচিটা আসছে ভেবেছিলাম। এলো না। না আসে, না আসুক। মনে পড়ল, একবার ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ফ্রোজেন সেকশনটায় দাঁড়িয়ে সে বলেছিল, ‘যদি হাঁচি আনতে চাও, তাহলে উজ্জ্বল আলোর দিকে তাকিও।’ আমি ভেন্টিলেশন ফ্যানের পাশে টাঙানো বাল্বের দিকে তাকালাম, কিন্তু আলোটা যথেষ্ট চড়া না। টেনে শ্বাস নিলাম। ছেড়েও দিলাম। নিঃশ্বাসের ওঠানামা নাকের সূক্ষ্ম কাঁপুনির সঙ্গে মিশে যায়, জিভ সামান্য ফুলে ওঠে সেই ছন্দে। এখন রাত। আমি আবারও পেতে চাই সেই ক্ষীণ কম্পন, হাঁচি ফেটে পড়ার আগমুহূর্তে শরীরে যার জন্ম হয়। যেন কপালের উপর একটা ছোট গোলাকার বল সামলাচ্ছি। যদিও খেলার নিয়ম-কানুন জানা নেই, তবে জানি হেরে গেলে ভয়ানক কিছু ঘটবে। আর ওই পুরো সময়টা কেউ আমাকে লক্ষ্য করছে।

শেষমেশ আমি ঘরের সবগুলো বাতি জ্বালিয়ে দিলাম। যতই তাকাই, যতই চেয়ে থাকি, হাঁচিটা যেন কোথায় মিলিয়ে যায়। শরীরের ভেতরে কোথাও। হয়তো কপাল আর ছাদের ফাঁক বরাবর কোথাও। কিংবা, হয়তো সে বলেছিল, ‘সূর্যের আলোয় তাকাতে হবে’, বাল্বের আলোয় না। যদি তা-ই হয়, তবে এই রাতের বেলায় তার কথা মনে পড়ার কী সম্পর্ক? আমার জন্য কিংবা তার জন্য?

নুশীলন। দরজা খোলার ক্যাচক্যাচ শব্দ হঠাৎ করেই ঘরের বাতাসটাকে ঘনিয়ে তোলে। ভাবলাম, হয়তো সে নাস্তা আনতে বাইরে গিয়েছিল। কিন্তু ফেরার পর দেখলাম তার হাতে কিছুই নেই। নাস্তা আনতেই হয়তো, মনে মনে বলি। খাওয়ার জন্য নাস্তা, না মানে অন্য কোনো নাস্তা কি আছে যা খাওয়ার অযোগ্য? ভেবে দেখবার মতো বিষয়। আমি তাকে বলতে চাই, ‘আমি ভেবেছিলাম তুমি নাস্তা আনতে গেছ।’ অভিযোগের সুরে, চাপা কন্ঠে, যেন এরকমটা বোঝানোর জন্য যে, সে কিছুক্ষণ আগে কথার মাঝপথেই হুট করে বেরিয়ে গিয়েছিল। ঠিক করলাম, এবার থেকে তাকে কোনো কিছুতে ছাড় দেওয়া যাবে না। আর এদিকে সে আমার ভাবনার ওপর গাঢ় ছায়া ফেলে শাওয়ার নিতে বাথরুমে ঢুকে পড়ল, ধোপদুরস্ত পোশাকে! 

ন্দরসাজ। টেলিভিশনের পর্দায় ঝলসে উঠে বিচিত্র সব ছবি, তীব্র আলোয় ঢেকে যায় অন্ধকার। বিরক্তিকর শব্দে কোলাহল বাড়ে, হুড়মুড় করে ছুটে আসে উত্তুঙ্গ শব্দাবলী। ডাঁই করে রাখা কাপড়গুলো ওভাবেই ফেলে রেখে সোফায় গিয়ে বসি, পা মেলে দিই টি-টেবিলের উপর। থুতনির ছোট ব্রণটা না ফাটিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছুঁয়ে দেখি, চোখ আটকে থাকে পর্দায় হাসিমুখের নারী-পুরুষের দিকে। ফোনটা বেজে ওঠে। রিংটোন এতটাই ক্ষীণ যে উঠে গিয়ে খোঁজার প্রয়োজনটাও অনুভব হয় না। বাথরুম থেকে ঝরনার শব্দ, এটুকুই তার উপস্থিতির প্রমাণ। যেন বা ক্লান্তিকরভাবে পরস্পরকে বেঁধে রাখছে এই একটুখানি শব্দ। বৃষ্টির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু যে জল জানালায় আছড়ে পড়ে তা বৃষ্টি, আর যে জল নগ্ন দেহের ময়লা ধুয়ে নেয়, তাকে কি বলব? কল্পনায় দেখি, আমি ভেঙে ফেলছি সেই বাথরুমের দরজাটা, যে দরজা তাকে নিরাপদে আড়াল করে রেখেছে। দেখি, এক প্রলয়ঙ্করী বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে সব। দরজাটা ভাঙার অস্থির ইচ্ছা আমার গলায় ডানা মেলছে। টিভির দিকে মনযোগ ফেরালেও পুরো ঘর ক্লান্ত হয়ে ঝিমিয়ে পড়েছে। মেঝে থেকে টেবিল, মায় পর্দা। চারদিক থেকে অনুনয় ভেসে আসছে, ‘মরে যাবার আগ পর্যন্ত আমাদের আর এক পা-ও নাড়িও না।’ এদিক-ওদিক ছড়িয়ে আছে মোজা, মধুর বয়াম, ছাপানো মানচিত্র, দূরবীন, সরিষার বোতল, পাসপোর্ট, প্রোবায়োটিক ড্রিংকসের খালি বোতল, গিফট র‍্যাপার। ভাঙা ডিমের খোলসের ভেতর ঝুলে আছে জমাটবাঁধা কুসুম, যেন পালাতে চেয়েও আটকে গেছে। হাতের নাগালে যা পেয়েছি সব ছুঁড়ে ফেলার ফলেই এই বিশৃঙ্খলা। সোফায় পাশ ফিরে বসলাম, চোখ গেঁথে আছে টিভির পর্দায়, ভাবটা এমন যেন এক বিন্দু ঝলকও হাতছাড়া না হয়। টিভির ভেতর উৎসবের আবহ, কেউ কেউ চিৎকার করছে, দর্শকরা হেসে গড়িয়ে পড়ছে। তালির দমকটা অতিরঞ্জিত, হাসতে হাসতে বাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তারা হাসছে আমাদের হয়ে, আমাদেরকে আমাদের হাসির দায় থেকে মুক্তি দিতে…কোথাও পড়েছিলাম হয়তো এটা। সেদিন থেকে টিভি দেখতে ভালো লাগে। আমি জানি, টিভির সুইচ চালু করলেই, রাত যেমনই হোক না কেন পর্দায় সবসময়ই অপেক্ষা করছে উৎসব। আমার জন্য, অচেনা মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া এ এক অমূল্য উপহার, যাদের আমি কখনো দেখিনি, কখনো আলিঙ্গন করিনি। 

রেফ্রিজারেটর। সে বাথরুম থেকে বেরোনোর আগেই আমি স্ট্রবেরিগুলো ধুয়ে ফেলব, কেটেকুটে বাটিতে সাজিয়ে ফেলব। দু’জনেই শান্ত থাকব, একটু আগের সেই উত্তপ্ত মুহূর্তের একেবারে উল্টো। সে বসার ঘরে আসবে, ভেজা শরীর-চুল মুছতে মুছতে, মুখে এক চিলতে অনুতপ্ত হাসি। ঝগড়ার পর সবকিছু ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়ে যায়। আমি তার মুখে তুলে দেবো বরফশীতল স্ট্রবেরি। তার গলা দিয়ে যে শব্দ বেরোবে, তা যেন আমাদের পুনর্মিলনের স্মারক। তার স্ট্রবেরি খাওয়ার ব্যাপারটা একটু কেমন যেন, সে সবসময় স্ট্রবেরিগুলো চামচ দিয়ে কেটে কেটে বাটিতে রাখে, তারপর বাটিতে ঘন দুধ ঢেলে নেয়, যতক্ষণ না ফলগুলো পুরোপুরি ডুবে যাচ্ছে। খেতে খেতে স্ট্রবেরি শেষ হয়ে আসলে বাটির অবশিষ্ট দুধটুকু সুরুৎ করে খেয়ে নেয়। 

মোহ। এরকম একটি দৃশ্য কল্পনা করতে করতেই ফ্রিজ থেকে স্ট্রবেরির প্যাকেট নামাই, গুনে গুনে ছ’টা বের করার পর আরেকটার দিকে হাত বাড়াতেই আঙুলের নরম চামড়ায় হালকা একটা খোঁচা লাগল। আঙুলটা বাতির নিচে ধরে দেখি একটা ছোট্ট কাঁটা বিঁধেছে। নরম সুচালো একটা কাঁটা চামড়ার ভেতর ঢুকে গিয়ে মাথা বের করে আছে, চোখের সামনে আনার পর মনে হলো যেনো চিরস্মরণীয় এক মিনার, অমলিন। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি সেই ক্ষণস্থায়ী কাঁটার সৌন্দর্যে। ক্ষুদ্র, অথচ দারুণ স্থির। নখ দিয়ে টেনে তুলতে গিয়ে সামান্য ব্যথা টের পেলাম, মনে হলো যেনো কাঁটাটি এরই মধ্যে শিকড় গেড়ে বসেছিল।

প্রত্যাখ্যান। এরকম একটা আশা নিয়ে নতুন করে স্ট্রবেরিগুলো সাজাতে শুরু করি, যে, হয়তো কিছু মামুলি আলাপ করব, যেন কিছুই হয়নি। সে হয়তো আমার চালাকিটা ধরতে পারবে, তারপরও না বুঝার ভান করবে। আমি হয়তো টুকটাক এলেবেলে কিছু বলে শুরু করব, যেমন ‘শুনছো, আমাদের ঠিকানায় কদিন ধরেই পোস্টকার্ড আসছে, আগের কোনো এক ভাড়াটিয়ার নামে। বাচ্চাদের আঁকিবুকিতে ভরা। আমি ফেলেও দিতে পারছি না। কী করি বলো তো, ফেরত পাঠাব না-কি পোস্ট অফিসকে জানাব? কোনটা কম ঝামেলার হবে বলে মনে হয়?’ হয়তো বলব, ‘সেদিন যে শো-টা দেখতে গেলাম, সেটাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গান আর গান। ওটা যে একটা মিউজিক্যাল ছিল সেটা জানতামও না। একটা গান এখনো মাথায় ঘুরছে, ছিলাম আমি নরম-শরম, ছোট্টবেলার নরম-শরম।’ বলেই বুঝতে পারলাম যে, না, এইসব বলে খুব একটা ভাল শুরু হওয়ার কথা না। দুটোই শিশুতোষ, শিশুদের নিয়ে, অথচ আমি চাইছিলাম পুনর্জন্মের গল্প বলতে।

প্রতিশোধ। সে বাথরুম থেকে বেরোল, কেতাদুরস্ত। দূর থেকেও দেখতে পাচ্ছি তার কপালে ঘামের ফোঁটা। মুছে ফেলে না কেন? হেয়ারজেলের টিউবটা মেঝেতে গড়াচ্ছিল, পায়ে ঠেলে দিল, উঠাল না। ভেতরে কুঁচকে থাকা কলারটা টেনে সোজা করে বাতাস বের করার চেষ্টা করছে। শার্টটা খুলে ফেলে না কেন? আমার দিকে একবারও না তাকিয়ে পার হয়ে গেল। দৈনন্দিনের সাধারণ ছন্দে এ এক অস্বাভাবিক ছায়া। আমি তীব্রভাবে অনুভব করলাম, তার এই শারীরিক প্রত্যাখ্যান। নিঃসন্দেহ, এর পেছনে কোনো কারণ আছে, এ স্রেফ অস্বীকার নয়, বরং শেষটা টেনে আনবার এক নতুন কৌশল। আর তারই শক্তিবলে সে নিশ্চিহ্ন করবে আমাদের মধ্যে থাকা সবকিছু। শেষটা এভাবেই এগিয়ে আসে, ঘোষণা দিয়ে নয়। সে এসে দাঁড়ায় পরিচিত মুখাবয়ব নিয়ে, আর অনেক পরে ফিরে তাকালে বোঝা যায়, সেটিই ছিল সমাপ্তির মুহূর্ত।

নির্ণয়। ‘তুমিই কাটবে? নাকি আমি কাটব?’ ডান হাতে চামচ, বাম হাতে স্ট্রবেরি ভরা বাটি নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। কোনো কথা না বলে সে বাটিটা তুলে নিল, চোখও তুলল না। দুধ নিল না, চামচটাও নিল না। আঙুলে তুলে একে একে মুখে ফেলে চিবিয়ে চিবিয়ে গিলে ফেলল। চামচটা রান্নাঘরে ফেরত রেখে চুপচাপ বেরিয়ে গেলাম। এটা কিন্তু সেই বিশেষ চামচ, মনে আছে? এই দেখো। স্ট্রবেরি কাটার জন্য। একদিন পাড়ার পুরনো তৈজসপত্রের দোকানে ঘুরতে গিয়ে পেয়েছিলাম। নানা রকম চামচের ভীড়ে, প্রায় ভুলে যাওয়া সময়ের মতো। দেখেই পছন্দ হওয়ায় কিনে এনেছিলাম আমরা, ঠিক যেন একটা মাদুলি! চামচের কানায় খোদাই করা ছোট্ট একটা স্ট্রবেরি, যাতে বোঝা যায় যে এর ব্যবহার আসলে কোন কাজে হবে। এইখানে ফলটা রাখো, তারপর চাপ দিয়ে কাটো।

শোবার ঘর। সে চুপচাপ কামরায় ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। কামরাটা ছোট হয়ে আসতে থাকে, নাকি ঘরের জিনিসপত্র আস্তে আস্তে প্রসারিত হচ্ছে, নিজেকেই শোনাই-কী হাস্যকর! জিনিসপত্র কি হঠাৎ গায়ে-গতরে বাড়ে? না তো, বাড়ে না। তবু কেন নিজেকে বারবার ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলি, আবার জড়ো করি, আমি কি লাজলজ্জাহীন?

নিশুতি রাত। সোফায় শুয়ে থাকতে থাকতে নিজের অস্তিত্বই যেনো হারিয়ে ফেলেছি। হাত না মুছেই কন্ট্যাক্ট লেন্সটা খুলে ফেলি। মনে পড়ল, সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি। এখন বিছানায় শুয়ে শুয়ে স্ট্রবেরি খাব। ক্ষুধা কাটাতে না, এই নিঃসঙ্গতা আর নিতে পারছি না। শোবার ঘরের দরজা ঠেলে ঢুকি। গলা শুকিয়ে আসে। একফোঁটা আলো দেয়ালজুড়ে ছায়ার বরফি কেটে রেখেছে, অগণন ছায়া। এত ঘন যে ছুঁতে ইচ্ছে করছে। তার মুখটা যেন পাথুরেপাহাড়। চুপচাপ চাদর টেনে তার তলায় শরীর ঢুকিয়ে নিই। এত কাছে থেকেও বুঝতে পারি না, সে ঘুমোচ্ছে নাকি জেগে আছে। গালের নিচে জমাট স্যাঁতসেঁতে দাগ, চোখের ফোলা পাপড়ি। পায়ে পায়ে হেঁটে তার গালের পাহাড়ে পা রাখি, উঠতে শুরু করি। কাছে এলে সবকিছুই স্পষ্ট হতে শুরু করে। এভাবেই না-কি সববিছু বোধগম্য হয়, সমাধান করা যায়। কান্না পায়। যদি আমাদের মধ্যে কেউ একজন চোখ বুজে ফেলি, তবে আর আমাদের বলে কিছুই দৃশ্যমান থাকবে না। ডান হাতে ধরা সেই বিশেষ চামচ, বাম হাতে কাঁটা নিয়ে আমি উঠতে থাকি পাহাড়ের চূড়ায়। সেখানে পৌঁছে পেলাম এক রঙহীন স্ট্রবেরি। তার শরীর থেকে শীতল ধোঁয়া বেরোয়। হিমেল বাতাসে আমি শরীর গুটিয়ে নিই। সমস্ত শক্তি নিয়ে চামচ চেপে ধরি তার নাকে। আবারও। সমস্ত জোর দিয়ে কাটতে থাকি স্ট্রবেরি। ফালি, ফালি, ফালি। কোথায় ভুল হলো? আদৌ কি শুরু হয়েছিল কিছু? আজও বুঝতে পারি না, সে কি তখন ঘুমোচ্ছিল, না-কি জেগে ছিল।


লেখক পরিচিতি 

মাহমুদ আলম সৈকত। গদ্যকার ও অনুবাদক। কুমিল্লায় জন্ম, চট্টগ্রাম শহরে বসবাস, ঢাকায় অভিবাসী। বেসরকারি সাহায্য সংস্থায় কর্মরত। উর্দু সাহিত্যে বিশেষ অনুরাগী।

পাঁচটি অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশিত। ফয়েজ আহমদ ফয়েজের কবিতা, ইন্তিজার হোসেনের গল্প সংকলন, সাউথ এশিয়ার ছয়টি দেশের গল্পের অনুবাদ সংকলন, তিনা মোদোত্তির শিল্প, জীবন ও রাজনীতি; মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী নারী কবিদের কাব্য সংকলন তার উল্লেখযোগ্য কাজ।

সময়ের আলো/আরবিএন




  বিষয়:   স্ট্রবেরি  মিয়েকো  কাওয়াকামি  সৈকত  হিতোমি  ইয়োশিও 


Loading...
Loading...
সাহিত্য- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: