রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের আগে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তাকে ‘সেহরি’ বলা হয়। সেহরি খাওয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। এর মধ্যে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তাই প্রয়োজন না থাকলেও সেহরিতে সামান্য কিছু পানাহার করতে হয়, না হয় মাকরুহ হবে। হাদিস শরিফে আছে- হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও, কেননা সেহরি খাওয়ার মধ্যে বরকত রয়েছে’ (বুখারি : ১৯২৩)।
অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, ‘তোমরা সেহরি খাও, যদিও এক ঢোক পানি দ্বারা হয়। কারণ যারা সেহরি খায়, আল্লাহ তায়ালা তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন’ (ইবনে হিব্বান : ৩৪৭৬)।
সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে রোজা রাখার শক্তি অর্জিত হয়। সেহরি না খেয়ে রোজা রাখলে রোজাদার ব্যক্তি ক্লান্ত হয়ে পড়বে। সেহরি না খেলেও রোজা হবে।
রোজা সহিহ হওয়ার ক্ষেত্রে সেহরি খাওয়া আবশ্যক নয় এবং সেহরির ফজিলত বর্ণিত হলেও সেহরির কোনো দোয়া বর্ণিত হয়নি। এমনি নফল দোয়া-জিকির পড়লে সওয়াব হবে। কিন্তু সেহরির সঙ্গে যুক্ত করে কোনো দোয়া নেই।
সময়ের আলো/এনএ