গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রতিহিংসার শিকার হয়ে এক তরুণ উদ্যোক্তার প্রায় ১,২০০টি হাঁসের বাচ্চা বিষ প্রয়োগে মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলীর ছেলে ও তরুণ উদ্যোক্তা মাসুদ রানা দীর্ঘদিন ধরে হাঁস পালন করে নিজের ভাগ্য বদলের চেষ্টা করছিলেন। জানা গেছে, উন্নত পরিবেশে লালন-পালনের উদ্দেশ্যে তিনি পার্শ্ববর্তী বাপতা এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে ১,২০০টি হাঁসের বাচ্চা বড় করার জন্য রেখেছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, গতকাল কে বা কারা পূর্বশত্রুতার জের ধরে হাঁসের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেয়। বিষাক্ত খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাচ্চাগুলো ছটফট করতে শুরু করে এবং একে একে মারা যায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে খামারের প্রায় সব হাঁসের বাচ্চাই নিধন হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী মাসুদ রানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সংসারে সচ্ছলতা আনতে দিনরাত পরিশ্রম করেছি। ধারদেনা করে এই খামার গড়ে তুলেছিলাম। অবলা প্রাণীগুলোর কী দোষ ছিল? যারা আমার সর্বনাশ করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
তিনি জানান, বাজারমূল্য অনুযায়ী তার অন্তত এক লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক ক্ষতির চেয়েও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে তার স্বপ্নভঙ্গের বেদনা। তিলে তিলে গড়ে তোলা খামার এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন দিশেহারা।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনাকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। খবর পেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির আহাম্মদ বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা মাসুদ রানা দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কে বা কারা পূর্বশত্রুতার জের ধরে হাঁসের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাচ্চাগুলো ছটফট করতে থাকে এবং একে একে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে খামারের প্রায় সব হাঁসের বাচ্চাই নিধন হয়।
মাসুদ রানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সংসারে সচ্ছলতা আনতে দিনরাত পরিশ্রম করেছি। ধারদেনা করে খামার গড়ে তুলেছিলাম। অবলা প্রাণীগুলোর কী দোষ ছিল? যারা আমার সর্বনাশ করেছে, তাদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
তিনি জানিয়েছেন, বাজারমূল্য অনুযায়ী অন্তত এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে, তবে অর্থনৈতিক ক্ষতির চেয়েও বড় ক্ষতি স্বপ্নভঙ্গের।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এটিকে ন্যক্কারজনক ঘটনা উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির আহাম্মদ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাসুদ রানা জানিয়েছেন, তিনি দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সময়ের আলো/আরবিএন