প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শৈলকূপা কর দিলেও নেই নাগরিক সুবিধা

কাজী আলী আহাম্মেদ লিকু, ঝিনাইদহ

সারাদেশ

ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভায় মিলছে না প্রত্যাশিত নাগরিক সেবা। প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মান যেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়েও নিম্নমানের।শহরজুড়ে ভাঙাচোরা

2026-02-25T02:14:25+00:00
2026-02-25T02:14:25+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শৈলকূপা কর দিলেও নেই নাগরিক সুবিধা
কাজী আলী আহাম্মেদ লিকু, ঝিনাইদহ
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৪ এএম 
সংগৃহীত ছবি
ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভায় মিলছে না প্রত্যাশিত নাগরিক সেবা। প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মান যেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়েও নিম্নমানের।  শহরজুড়ে ভাঙাচোরা সড়ক। সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। সড়কবাতি অচল পড়ে থাকায় রাত নামলেই অন্ধকারে ডুবে যায় অধিকাংশ এলাকা। এ ছাড়া এখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্ভোগ নিত্যদিনের সঙ্গী। পৌরবাসীর অভিযোগ, নিয়মিত কর পরিশোধ করেও মিলছে না কাক্সিক্ষত সেবা।

এ ব্যাপারে শৈলকূপা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম শরিফুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে ইতিমধ্যে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, নতুন করে পাকা রাস্তা নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শৈলকূপা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে। প্রায় ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভায় বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। কিন্তু সেবার মান একেবারেই তলানিতে। 


পৌর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অনেক সড়কের পিচ অনেক আগেই উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহন। কোথাও আবার এখনও নির্মিত হয়নি পাকা সড়ক। কোথাও এক যুগ আগে ইটের সলিং করা হলেও সেই রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে। শুকনো মৌসুমে ধুলার কারণে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। আবার বৃষ্টি হলে সড়কের খানাখন্দে পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

পৌরবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে বসবাস করলেও তারা ন্যূনতম নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। ড্রেন তো দূরের কথা, অনেক এলাকায় নেই ভালো রাস্তা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্ভোগ তাদের নিত্যদিনের বাস্তবতা। নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না ড্রেন। সড়কবাতির অভাবে রাত হলেই অন্ধকারে চলাচল করতে হয় বাসিন্দাদের। এ ছাড়া পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম বলেন, শৈলকূপা পৌরসভা প্রথম শ্রেণির হলেও নাগরিক সুবিধা তৃতীয় শ্রেণির মতো। সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। অনেক সময় নিজ খরচে পানি সংগ্রহ করতে হয়। আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নিয়মিত পৌরসভার কর দিচ্ছি। কিন্তু সেই অনুপাতে কোনো সেবা পাচ্ছি না। ড্রেন পরিষ্কার না করায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাসিমা খাতুন বলেন, রাতে সড়কবাতি না থাকায় খুবই ভয় নিয়ে চলাফেরা করতে হয়।

সময়ের আলো/এআর


  বিষয়:   শৈলকূপা  নাগরিক  সুবিধা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: