খুলনার দিঘলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খান মুরাদ (৪৫) নামে এক যুবদল নেতা খুন হয়েছেন। তিনি উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র আহ্বায়ক ছিলেন। নিহত মুরাদ হাজি গ্রামের বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার সেনহাটি বকশি বাড়ি কবর স্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলা মোড়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ ও সেনহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলামিনের সাথে মুরাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে সাজ্জাদ ও আলামিন ১০ থেকে ১৫ জন মুরাদের ওপর হামলা চালায়।
মুরাদ আত্মরক্ষার জন্য বক্সী বাড়ি মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা ওই দোকানের তালা ভেঙে দোকানের ভেতরে আবারও হামলা চালায়। হামলাকারীরা ছুরি দিয়ে দুই মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেয়।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, শুক্রবার বিকেলে সেনহাটি বক্সী বাড়ি কবরস্থানের সামনে দুর্বৃত্তরা মুরাদকে ছুরিকাঘাতে করে হত্যা করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মুরাদের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
সময়ের আলো/আআ