শনিবার সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ হামলার বিষয় স্বীকার করেছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। একই সময়ে তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সামনে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়াও হামলা হয়েছে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কার্যালয়ের কাছে, তবে উভয় নেতাই নিরাপদে রয়েছেন।
ইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও অক্ষত রয়েছেন।
হামলার পর ইসরায়েল পুরো আকাশসীমা বন্ধ করেছে এবং সমস্ত বেসামরিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, দেশের পরিবহন মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে বিমানবন্দরে না আসার জন্য অনুরোধ করেছে। বিদেশে থাকা যাত্রীদের জন্য আকাশসীমা পুনরায় চালু হওয়ার পরে ফ্লাইটের সময়সূচি এবং আপডেট তাদের সংশ্লিষ্ট মিডিয়া ও বিমান সংস্থার মাধ্যমে জানার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বিদেশে থাকা ইসরাইলিদের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশনা ও সুপারিশ অনুসরণ করার জন্য বলা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে আকাশসীমা পুনরায় চালু হবে এবং ইসরাইলে আসা-যাওয়ার ফ্লাইট পুনরায় শুরু হবে। নতুন ফ্লাইটের বিষয়ে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেওয়া হবে।
/ইউএমএইচ