নাড়ির টানে আজও ঘরমুখো মানুষের ঢল চন্দ্রা এলাকায়। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহন থাকলেও ভাড়া বেশি চাওয়ায় বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা।
জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের ১৭টি জেলার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা। এই মহাসড়ক দিয়ে চল্লিশ লাখের অধিক যাত্রীরা পারাপার হয়। আর মাত্র একদিন পরেই ঈদুল ফিতর। যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহনের চাপ ও যাত্রী ব্যাপক চাপ রয়েছে।
তবে গণপরিবহন থাকলেও ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ। এদিকে চন্দ্রা নবীনগর, চন্দ্রা গাজীপুর দুই মহাসড়ক জুড়ে থেমে থেমে চলছে পরিবহন।
তবে কোথাও কোনো যানজট নেই। এদিকে অতিরিক্ত ভাড়া বেশি নেওয়ার ফলে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, ট্রাক, পিকআপে চরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে তারা।
যাত্রীদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখের সামনেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে পরিবহনের লোকজন।
নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া যাত্রীরা বলেন, দ্বিগুণ ভরা তাদের কাছে গাড়ির লোকজন চাচ্ছে। তবে পুলিশের সামনেই বেশি ভাড়া নিচ্ছে। পুলিশকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
কোনাবাড়ি হাইওয়ে ওসি সওগাতুল আলম জানান, ভাড়া বেশি নিচ্ছে এরকম অভিযোগ এখনো পাইনি। আমাদের পুলিশ বক্স রয়েছে কেউ যদি ভাড়া বেশি চায় অভিযোগ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/এআর