চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ ঈদ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সারাদেশ

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়াসহ অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর

2026-03-20T09:48:19+00:00
2026-03-20T09:48:19+00:00
 
  শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬,
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ ঈদ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৮ এএম 
মির্জাখীল দরবার শরীফ। ছবি : সময়ের আলো
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়াসহ অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে সেহরি খেয়ে রমজানের রোজা শুরু করেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তারা সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন করছেন।

দরবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় আড়াই শ বছর আগে সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল গ্রামের হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঙ্গীরী (রহ.) হানাফি মাজহাব অনুযায়ী পৃথিবীর যে কোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে তা অনুসরণ করার ফতোয়া দেন। সেই ধারাবাহিকতায় অনুসারীরা সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ঘোষণাকে ভিত্তি করে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

মির্জাখীল দরবার শরীফের দায়িত্বশীল মুহাম্মদ জালালুল হাই বলেন, আমরা হানাফি মাজহাবের অনুসারী। আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার তথ্য নিশ্চিত হয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে চাঁদের অবস্থান বিবেচনায় আজ ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে। এটি আমাদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় অনুশাসন। এতে কারো সঙ্গে বিরোধ নেই।


দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, আনোয়ারা ও পটিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার অন্তত ৫০টির বেশি গ্রামে লক্ষাধিক মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন। উল্লেখযোগ্য গ্রামের মধ্যে রয়েছে মির্জাখীল, সোনাকানিয়া, ছোটহাতিয়া, আছারতলি, কলাউজান, বড়হাতিয়া, চুনতি, ছনুয়া, চাম্বল, শেখেরখীল, হাইদগাঁও, বাহুলী, ভেল্লাপাড়া ও মোহাম্মদনগর।

এ ছাড়াও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা এবং ভারত, মিয়ানমার, জার্মানি, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত অনুসারীরাও একই নিয়মে ঈদের নামাজ আদায় করছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানায়, বাংলাদেশে রমজান ও ঈদ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তই রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুসরণ করা হয়। দেশের অধিকাংশ মুসলমান সেই ঘোষণার ভিত্তিতেই ঈদ উদযাপন করেন। তবে কিছু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে আসছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসলামি গবেষক বলেন, চাঁদ দেখার বিষয়ে মাজহাব ভেদে মতপার্থক্য রয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করলে মুসলিম সমাজে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয় এবং বিভ্রান্তি কমে।

স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এটি দীর্ঘদিনের চর্চা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা না হলে সাধারণত প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে না।

সময়ের আলো/জোই


  বিষয়:   চট্টগ্রাম  ঈদুল ফিতর  ঈদ পালন 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: