তিন নদীর মোহনায় বসেছে পর্যটকদের মেলা

শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর

সারাদেশ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের কেন্দ্র করে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মোলহেডের তিন নদীর মোহনা এখন উৎসবের এক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ঈদের দিন

2026-03-23T21:03:19+00:00
2026-03-23T21:03:19+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
চাঁদপুর
তিন নদীর মোহনায় বসেছে পর্যটকদের মেলা
শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৩ পিএম 
তিন নদীর মোহনায় বসেছে পর্যটকদের মেলা। ছবি : সময়ের আলো
পবিত্র ঈদুল ফিতরের কেন্দ্র করে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মোলহেডের তিন নদীর মোহনা এখন উৎসবের এক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ঈদের দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এই পর্যটন এলাকা। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর এই মিলনস্থলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় জমাচ্ছেন নানা বয়সি মানুষ। এতে পর্যটকদের মেলায় রূপ নিয়েছে পুরো এলাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর মোহনার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা নানা আয়োজনে মেতে উঠেছেন। কেউ মোবাইল ফোন বা ক্যামেরায় স্মৃতি বন্দী করছেন আনন্দঘন মুহূর্ত, আবার কেউ দল বেঁধে নৌকায় করে ছুটছেন মেঘনার বালুচরের দিকে, যা স্থানীয়দের কাছে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে পরিচিত। 

স্পিডবোট, ট্রলার কিংবা ছোট নৌকায় করে ঘুরে বেড়ানো সুযোগ থাকায় উৎসবের বাড়তি আনন্দ যোগ হয়েছে।

প্রকৃতির রূপও যেন দিন ভেদে ভিন্ন মাত্রা যোগ করছে। সকালে শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ, দুপুরে ব্যস্ততার ছাপ আর বিকেলে সূর্যাস্তের লাল আভা— সব মিলিয়ে মোহনার দৃশ্য হয়ে ওঠে অনন্য। সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখন নদীর পানিতে প্রতিফলিত রঙিন আলো দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

যদিও রাতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, তবুও অনেকেই জ্যোৎস্না রাতে এই মোহনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। প্রিয়জনদের সঙ্গে নৌকায় করে ডাকাতিয়া নদীতে ঘুরে বেড়ানো তখন হয়ে ওঠে এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।

ঢাকা থেকে আসা দর্শনার্থী রুবেল হোসেন বলেন, ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে একটু ভিন্ন পরিবেশে ঘুরতে এসেছি। এখানে এসে মনে হচ্ছে প্রকৃতির মাঝে এক অন্যরকম প্রশান্তি পাচ্ছি। বিশেষ করে নদীর বাতাস আর সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ।


চাঁদপুর শহরের বাসিন্দা তানিয়া আক্তার জানান, প্রতিবছরই ঈদের সময় এখানে আসি। তবে এবার মানুষের উপস্থিতি অনেক বেশি। সবাই খুব আনন্দ করছে, নিরাপদ পরিবেশ থাকলে আরো ভালো লাগত।

আরেক দর্শনার্থী ফয়সাল বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে নৌকায় করে বালুচরে গিয়েছিলাম। সময়টা খুবই উপভোগ করেছি। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও বসার ব্যবস্থা থাকলে দর্শনার্থীদের জন্য আরও সুবিধা হতো।

ক্লিন চাঁদপুর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশ বলেন, চাঁদপুরকে আন্তরিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বিদ্যুতের খাম এবং গাছে রং তুলির আঁচড়ে সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। বিশেষ করে তিন নদীর মোহনায় প্রত্যেকটি কাছে বিভিন্ন রং মিশ্রণে আট করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতে করে এখানকার চিত্র একেবারেই পাল্টে গেছে। তিন নদীর মোহনাকে আরও কিভাবে সুন্দর করা যায়, সেই বিষয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি। 

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম ইকবাল বলেন, ঈদ ও উৎসবে তিন নদীর মোহনায় দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। যে কারণে নৌ পুলিশ এই স্থানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া স্পিড বোটে আলাদা টহল টিম কাজ করছে।

এফআর


  বিষয়:   চাঁদপুর  তিন নদীর মোহনা  পর্যটক  মেলা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: