রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কুষ্টিয়ার ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এর মধ্যে তিনজনের দাফন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
নিহতরা হলেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার মজমপুর গ্রামের মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), খোকসা উপজেলার খাগড়বাড়িয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), একই উপজেলার ধুশুন্ডু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩) এবং সমসপুর গ্রামের গিয়াসউদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩)।
নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলার জুগিয়া গ্রামে মর্জিনা খাতুনের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রাতেই তার মরদেহ কুষ্টিয়ায় পৌঁছায় বলে জানা যায়।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খোকসায় নিহত আরও দুইজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রাজীব বিশ্বাসের শেষকৃত্যের প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। বাসটিতে কুমারখালী ও খোকসা থেকে ওঠা যাত্রীসহ মোট ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।