গাইবান্ধা শহরে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল না পেয়ে ক্ষোভে সড়ক অবরোধ করেছেন মোটরসাইকেল চালকেরা।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে শহরের আর রহমান পেট্রোল পাম্পের সামনে গাইবান্ধা–পলাশবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এতে অল্প সময়ের জন্য সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকা পড়ে সৃষ্টি হয় যানজট।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই বেশ কিছু মোটরসাইকেল চালক ওই পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও তেল সরবরাহ না পেয়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ সময় পাম্প কর্তৃপক্ষ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তেল সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে বলে জানায়। এতে অপেক্ষমাণ বাইকারদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে, কয়েকজন বাইকার পাম্পের সামনের সড়কে অবস্থান নেন এবং স্বল্প সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেন। প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিটের এই অবরোধে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অফিসগামী মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো এতে ভোগান্তিতে পড়ে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও সদর উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবুর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাইকারদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সড়ক ছেড়ে দিতে অনুরোধ করা হয়। পরে তারা অবরোধ তুলে নিলে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাময়িক যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই পাম্পে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ ছিল। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে পুনরায় তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, হঠাৎ করে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ চালকরা। তারা জানান, আগাম কোনো ঘোষণা না থাকায় অযথা সময় নষ্ট হয়েছে এবং দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আগাম তথ্য প্রদানের ঘাটতি থাকলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
/ইউএমএইচ