ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অনেকেই হেলমেট পরে এবং টর্চ লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে সন্ধ্যা পৌনে ৮টা পর্যন্ত। রাত ৮টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই দিন আগে মনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার ঘোষণা দিয়ে মাইকিং করছিল। এ সময় খাপুরা, সিঙ্গাইড়া ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন তাকে লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মনসুরাবাদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে মারধর করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়।
অন্যদিকে, খাপুরা, সিঙ্গাইড়া ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জড়ো হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সন্ধ্যার পর অন্ধকার নেমে এলে অনেকেই টর্চ লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়।
ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় দুই পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সময়ের আলো/আরবিএন