দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের খানসামা রোডস্থ ‘বীরগঞ্জ ক্লিনিকে’ সিজারিয়ান অপারেশনের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত প্রসূতির নাম সমেজা খাতুন (২৫)। তিনি কাহারোল উপজেলার সরঞ্জাম গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। চিকিৎসায় অবহেলার প্রাথমিক সত্যতা ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা ক্লিনিকে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ক্লিনিকের লোকজন পালিয়ে যায়। এ সময় উত্তেজিত জনতা অগ্নিসংযোগ করে সড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
স্বজনদের অভিযোগ, সিজারিয়ান অপারেশনের সময় চিকিৎসকের অবহেলায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং একপর্যায়ে রোগীর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বীরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে পড়লে পুলিশ লাঠিচার্জ করে জনতাকে সরিয়ে দেয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পরবর্তীতে রাতেই বীরগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চিকিৎসায় অবহেলার প্রাথমিক সত্যতা ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তিনি ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেন।
বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহতের পরিবার এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/জোই