সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার রাত ১১টায় হঠাৎই ওসমানী বিমানবন্দরের এরাইভাল ইমিগ্রেশনের সার্ভার রুম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিত যাত্রী ও কর্মীদের মাঝে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্টরা জানান, ইমিগ্রেশন ভবনের দোতলায় অবস্থিত সার্ভার রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত। প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা। বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ জানিয়েছেন, আগুনে ইমিগ্রেশনের কিছু যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ফ্লাইটের শিডিউলে কোনো প্রভাব পড়েনি। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত আগুনের ঘটনায় বিমান চলাচলে বা কোনো ফ্লাইটের শিডিউলে কোনো সমস্যা হবে না। কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সার্ভার রুমের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক ধারণা, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আপাতত বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে ‘
এএডি/