বাংলাদেশি এক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে করা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের মন্তব্য ঘিরে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এক ফেসবুক পোস্টে নিজের করা মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাকিব।
সাক্ষাৎকারে আবার দেশে ফিরে রাজনীতিতে নামা নিয়ে প্রশ্নে সাকিব বলেছেন, রাজনীতি তো ধরেন আমৃত্যু করা যায়, রাজনীতিতে অনেক সময় আছে। যেটার সময় নেই সেটা হলো ক্রিকেট। এটা আগে ঠিক করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, ভবিষ্যতে একটি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে, যেখানে সব দল সমান সুযোগ পাবে এবং জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কাকে চায়।
তিনি যে দলের হয়ে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন, সেই আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আছে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে এটিও টেনে এনেছেন সাকিব, বলেছেন, যেহেতু আমাদের দলের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নাই, সেহেতু চেষ্টা করছি ক্রিকেটটা খেলে যাওয়ার। দলের যখন কার্যক্রম যখন শুরু হবে বা আমরা করতে পারব তখন হয়ত আবার চেষ্টা করব রাজনীতিটা করার।
এসব মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্কের মধ্যেই কিছুক্ষণ আগে ফেসবুক পোস্টে সাকিব লিখেছেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে আমার একটি বক্তব্য বেশ আলোচনা তৈরি করেছে। আমি সবার কাছে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাই। এই মুহূর্তে আমার পুরো মনোযোগ শুধুই ক্রিকেটে। ক্যারিয়ারের এই শেষ পর্যায়ে এসে আমি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে খেলতে চাই এবং সুযোগ পেলে দেশকে কিছু দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিতে চাই।
দেশে ফিরতে পারলে ক্রিকেট ছাড়ার পর আবার রাজনীতিতে ফেরা নিয়েও ফেসবুক পোস্টে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সাকিব। পোস্টে তিনি লেখেন, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানার পর, আমি আমার দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই। তবে সেটা যে শুধু রাজনীতির মাধ্যমেই করতে হবে, তা নয়। রাজনীতি ছাড়াও দেশের জন্য কাজ করা সম্ভব। তবে হ্যাঁ, রাজনীতির মাধ্যমে কাজগুলো করা হয়তো অনেক বেশি সহজ হয়।
তিনি আরও লেখেন, আমি আশা করি লাল-সবুজের জার্সি গায়ে মুখে হাসি নিয়ে আমি আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করতে পারব। এই লক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের সব মানুষের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা প্রার্থী।
সময়ের আলো/আআ