পুরস্কারের জোয়ারে ভাসছে সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলাররা। মালদ্বীপ থেকে ট্রফি জিতে দেশে ফেরার পর ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা, আর্থিক পুরস্কার কোনো কিছুর কমতি নেই। সংবর্ধনার মঞ্চ হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে দাঁড়িয়ে সেদিন সাফজয়ীদের উদ্দেশে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা ফুটবলারদের তিনি আর্থিক পুরস্কার প্রদান করবেন। বলা কথা রেখেছেন আমিনুল হক।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলয়নাতনে মিঠু, মাহিনদের আর্থিক পুরস্কার প্রদান করেন। সাফজয়ী দলের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা ছাড়াও ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হলেও যুব ফুটবলাররা আপাতত ভাতার আওতায় আসবেন না এখনই। তবে কার্ড দিয়ে তারা নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আবদারের সুরে বলেন, যে ট্রফি নিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। একই সঙ্গে আর্থিক পুরস্কারসহ সংবর্ধনা প্রদান করায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যুব দলের অধিনায়ক মিঠু। ট্রফিজয়ী অধিনায়কের আবদারের জবাবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া যুব ফুটবল দলকে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যাবেন। অনুষ্ঠানে আর্থিক পুরস্কার ছাপিয়ে অনেকটা আলো কেড়ে নেন দলের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রোনান সুলিভান। প্রবাসী এ ফুটবলারই ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে জয়সূচক গোলটি করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করায় রোনান বাফুফেসহ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। সাফে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জেতা মাহিনও রোনানের সুরে সুর মেলান। ভবিষ্যতে আর বড় মঞ্চে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখারও প্রতিশ্রুতি দেন।
এ নিয়ে তিন দফা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যুব ফুটবলারদের তাদের অর্জনের জন্য শুভেচ্ছা জানালেন। দল ঢাকায় ফেরার পর বিমানবন্দরে গিয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন আমিনুল হক। ওইদিন রাতে হাতিরঝিলে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।