জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনের সংসদ নির্বাচন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে জামায়াত প্রার্থী সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
শেরপুর-৩ আসন শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন।
ভোটাররা বলেন, যে প্রার্থী অঞ্চলটির উন্নয়ন নিশ্চিত করবে, তাকে নির্বাচিত করবেন।
বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল নির্বাচিত হলে সীমান্তে সুপেয় পানির সংকট মোকাবেলা, মাদক ও চোরাচালান বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ফেস্টুন ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, নারীকর্মী ও এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকী দেওয়া হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪,০২,০২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,০৫,০৬৬ জন, নারী ভোটার ২,০৮,৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭ জন।
প্রার্থী তিনজন হলেন, বিএনপির তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, ১১ দলীয় জোটের শেরপুর জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান, এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে মিজানুর রহমান।
সময়ের আলো/আরবিএন