মিনাব ১৬৮: নিহত শিশুদের স্মৃতি নিয়ে পাকিস্তানে ইরানি প্রতিনিধি দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

একটি উড়োজাহাজ, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’। এই বিশেষ বিমানে চড়েই তেহরান থেকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের

2026-04-11T11:29:37+00:00
2026-04-11T11:29:37+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মিনাব ১৬৮: নিহত শিশুদের স্মৃতি নিয়ে পাকিস্তানে ইরানি প্রতিনিধি দল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ এএম 
বিমানে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি : সংগৃহীত
একটি উড়োজাহাজ, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিনাব ১৬৮’। এই বিশেষ বিমানে চড়েই তেহরান থেকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল। তবে এই যাত্রার বিশেষত্ব ছিল উড়োজাহাজের ভেতরের দৃশ্য। বিমানের বেশ কিছু আসন ছিল ফাঁকা, যেখানে রাখা ছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাব শহরের একটি স্কুলে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিশুদের ছবি, স্কুলের ব্যাগ এবং গোলাপ ফুল।

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে অবতরণ করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের ‘শাজারেহ তাইয়েবেহ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত ১৬৮ জন নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল কোমলমতি শিশু।

ইসলামাবাদে পৌঁছেই স্পিকার গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) বিমানের ভেতরের সেই আবেগঘন ছবি শেয়ার করে লিখেন, এই ফ্লাইটে আমার সঙ্গী মিনাব- ১৬৮। মূলত নিহত শিশুদের স্মৃতি বহন করে বিশ্ববাসীর কাছে ইরানের ওপর চালানো হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরাই ছিল এই প্রতীকী যাত্রার উদ্দেশ্য। 

গালিবাফ আরও জানান, ইরান ‘সদিচ্ছা কিন্তু কোনো বিশ্বাস ছাড়াই’ এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছে। আমেরিকানদের সাথে আলোচনার তিক্ত অভিজ্ঞতা আমাদের আছে, যারা বারবার চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তবে মার্কিন পক্ষ যদি সত্যিকারের শান্তি এবং ইরানি জনগণের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হয়, তবে আমরাও ইতিবাচক সাড়া দিতে প্রস্তুত।

দীর্ঘ ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এই যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপ দিতেই ইসলামাবাদে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। তবে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরান দুটি প্রধান শর্ত দিয়েছে- লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও এই আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে আলোচনায় বসে, তবেই ওয়াশিংটন নমনীয় হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। 


/কহু
  বিষয়:   পাকিস্তান  ইরান  যুক্তরাষ্ট্র 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: