হননপথের দৃশ্যকাব্য
নার্সিসিজম বেড়ে গেলে বাড়ে নিজ দেয়ালের পরিধি। পুরু হয় স্ব-ব্যথার অহম, খসতে থাকে সংযোগজাল।
জেগে ওঠে নিভৃত উড়াল, তছনছ মরুৎ, অথৈ শিখা। এই-ই জীবন জেনে পেরোতে থাকা গড়খাই। নক্ষত্রালো
ছিটানো মধ্যরাত্রির আপন গলির যাতায়াতে জানানো প্রকৃত সুতোর কথকতা। শেষতক শরীরী মোহ যদি খোঁজে
আরও শরীর, মুগ্ধতা চায় আরও আরও চোখের কৃষ্ণবিবর। তবে নতুন ভাষার ইশতিহারপত্র মুদ্রনের আগে
নিজ দেয়াল টপকে এসে আমার একই ব্যথায় খানিকক্ষন দাঁড়িয়ে তারপর নাহয় যেও!
বিনিদ্র এসরাজ
কাছে থাকা নয় মোটেই
তবু সে নিঃশ্বাসের নিকট শুয়ে বিবসন
শরীর কচলে-মুষড়ে
বেরিয়ে আসে কান্নার এসরাজ।
শবাসনের আঁকুতি ঠেলে
তার চলে যাওয়া—
রাত্রিভর আলিঙ্গনে ঝরেছে
বিনিদ্র চৌম্বক চুম্বন, আলাদা আলাদা।
সন্ত হতে পারিনি বলে—
তার এসরাজে ঢুকে কেঁদে চলেছি!
তোমার দুঃখ বড়
সন্ধে কেমন ভয়াল লাগে
রাত্রি তত নয়
আমার দুঃখ ফিকে ভারি
তোমার দুঃখের জয়
পচে গিয়ে ক্ষয়ে গেলেও
ভরে যায় সে ক্ষত
মরে গিয়েও বাঁচে জেনো
মানুষ কতশত
ফুলখেলা নয় স্বীয় স্রোতে
মেতে আছি আমরা
গন্তব্য নয় যুদ্ধ যেন
তুলছি স্ব স্ব চামড়া
দোয়ার মতো শাপে আছি
তাও ফেরে যদি সম্বিৎ
ফলে গেছে সব অবিকল
মম ঢের দুঃখে ডোবা উচিত