চট্টগ্রাম বন্দরে একটি জেট ফুয়েল, ২টি ডিজেলবাহীসহ মোট তিনটি অয়েল ট্যাংকার ভিড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় বহির্নোঙরে ভিড়ে ১২ হাজার টন জেট ফুয়েলবাহী ট্যাংকার এমটি গ্রেট প্রিন্সেস। এই ট্যাংকারের জেট ফুয়েল আমদানি করা হয়েছে সিঙ্গাপুর থেকে।
রাতে বহির্নোঙরে ভিড়ে আরও দুটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার। দুটি অয়েল ট্যাংকারে প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল আছে। তিন ট্যাংকার থেকে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর থেকে তেল খালাস শুরু হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বহির্নোঙরে ভিড়ে জেট ফুয়েলবাহী ট্যাংকার এমটি গ্রেট প্রিন্সেস। একই দিন দিবাগত রাতে দুটি অয়েল ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙরে পৌঁছে। এর মধ্যে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুরের সরবরাহ করা ট্যাংকার ‘এমটি টর্ম দামিনি’তে আছে ৩৩ হাজার টন এবং ভিটল এশিয়ার ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ ট্যাংকারে আছে ৩৫ হাজার টন ডিজেল।
মঙ্গলবার রাত ১১টায় দুটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছে বলে জানান সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিন অয়েল ট্যাংকার ভিড়েছে। তিন অয়েল ট্যাংকার থেকে খালাস শুরু হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে খালাস শেষ হবে।
বিপিসি জানায়, বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সরবরাহযোগ্য ডিজেলের মজুদ ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার টন। যা দিয়ে প্রায় ১০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। নতুন চালান যুক্ত হওয়ায় মজুদ আরও অন্তত এক সপ্তাহ বাড়বে।
ইতোমধ্যে কয়েকটি ট্যাংকার এসেছে। সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের বড় কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।