প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর বাস্তবে রূপ নিল না। দ্বিতীয় লেগে ২-১ গোলের জয় পেলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
ফলে দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চার নিশ্চিত করল ডিয়েগো সিমিওনের দল। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বার্সেলোনাকে অন্তত তিনটি গোল করতে হতো এবং নিজেদের রক্ষণ অটুট রাখতে হতো। তবে ম্যাচের কোনোটিতেই তারা পুরোপুরি সফল হয়নি।
এর ফলে ২০১৪ ও ২০১৬ সালের পর আবারও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালেই থেমে গেল কাতালান ক্লাবটির পথচলা। ম্যাচের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যেই ইয়ামাল ও তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
আরও পড়ুন
এই ব্যবধানে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফিরে আসে, আর বার্সেলোনার সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার জন্ম নেয়। তবে সেই আশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩১ মিনিটে লুকমান গোল করে ব্যবধান কমান এবং আবারও দুই লেগে এগিয়ে যায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় স্প্যানিশ ক্লাবটি। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি। ৫৫ মিনিটে ফেরান তোরেসের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
ওলমো ও লেভানডোভস্কিও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ দিকে এরিক গার্সিয়ার লাল কার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বার্সেলোনা, যা তাদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ করে দেয়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় পেলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। এই জয়ের মাধ্যমে ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠল সিমিওনের দল।
এএডি/