বজ্রপাতে চুয়াডাঙ্গায় ২ এবং মুন্সীগঞ্জে ২ জনসহ দুই জেলায় মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন সময়ের আলোর চুয়াডাঙ্গা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের ঘোষনগর গ্রামের মাঠপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে রাসেল আলী (২৫) এবং দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের পারকৃষ্ণপুর গ্রামের তাজিমুল ইসলামের ছেলে ও স্থানীয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আজিমুল ইসলাম (১৪)।
পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য মো. আবু সাঈদ বলেন, আজিমুল ইসলামের বাবা মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন। বাবার জন্য খাবার নিয়ে যাওয়ার পথে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দর্শনার একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, রাসেল আলী মাঠে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে পৃথক বজ্রপাতে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন— উপজেলার বসুউল্লা গ্রামের মনির ঢালীর ছেলে রিজন (১৬) ও হাইয়ার পার গ্রামের জসিম খানের ছেলে আরাফাত খান (২০)। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে রিজন তার বাড়ির পাশে বসুউল্লা মাঠে খেলা করতে গেলে বজ্রপাতে সে মারা যায়।
অন্যদিকে হাইয়ার পার এলাকায় শ্মশানের পাশে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আরাফাত খান নামের কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
এ ব্যাপারে রিজনের প্রতিবেশী সিফাত বলেন, দুপুর ২টার দিকে রিজনসহ আরও ৭-৮ জন বসুউল্লা মাঠে ফুটবল খেলছিল। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই রিজন মারা যায়।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা আরাফাত খান প্রতিবেশী শামীম মোল্লা বলেন, হাইয়ার পার এলাকার শ্মশানের পাশে বজ্রপাতে জসিম খানের ছেলে আরাফাত মারা গেছে।
এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ডাবলু বলেন, পৃথক বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।
এফআর