কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য ও উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উভয় গ্রামের স্কুলসহ বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুল ইসলাম।
জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের একটি ফুটবল ম্যাচে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পার্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নিলে সংঘর্ষ জড়ান উভয়পক্ষের লোকজন। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার দুপুরে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। এ সময় পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এতে থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ আহত হন। এছাড়া উভয় পক্ষের ১৬ জন আহত হন।
সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় ব্রাক কল্যাণ স্কুল, বিধবা, প্রবাসীর বাড়িসহ অন্তত ১০টি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। পরে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, এমন ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, যে কোনো সময় পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তবে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
ওসি এস এম আরিফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন আছে।
এফআর