তীব্র গরমে স্বস্তির প্রধান ভরসা এখন এয়ার কন্ডিশনার বা এসি। কিন্তু অনেকেই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের চিন্তায় ঘন ঘন এসি চালু ও বন্ধ করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাসটি উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে- যন্ত্রের আয়ু কমে যাওয়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিল ও স্বাস্থ্যঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
এসি চালু হওয়ার মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়, কারণ তখন কম্প্রেসরকে দ্রুত ঘরের তাপমাত্রা কমাতে কাজ করতে হয়। বারবার বন্ধ ও চালু করলে এই লোড বারবার তৈরি হয়, যা কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এতে যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
অনেকে মনে করেন, মাঝে মাঝে এসি বন্ধ রাখলে বিদ্যুৎ বিল কমবে। কিন্তু বাস্তবে ঘর গরম হয়ে গেলে আবার ঠান্ডা করতে এসিকে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়। ফলে মোট বিদ্যুৎ খরচ কমার বদলে অনেক সময় বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন
বারবার গরম ও ঠান্ডা পরিবেশে যাতায়াত শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। এতে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া ঘরের আর্দ্রতা ভারসাম্য নষ্ট হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, গলা শুকিয়ে যাওয়া এবং অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন, যেমন-* এসি একবার চালু করলে বারবার বন্ধ না করা
* তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট রাখা
* দরজা-জানালা বন্ধ রাখা
* নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার করা
এএডি/