জ্বালানি সংকটে টেলিযোগাযোগকে জরুরি সেবায় আনার দাবি বিটিএর

সময়ের আলো ডেস্ক

অর্থনীতি

টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরী সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে টেলিকম টাওয়ার কোম্পানির সম্মিলিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ)।

2026-04-21T21:36:31+00:00
2026-04-21T21:38:07+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬,
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
অর্থনীতি
জ্বালানি সংকটে টেলিযোগাযোগকে জরুরি সেবায় আনার দাবি বিটিএর
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৬ পিএম  আপডেট: ২১.০৪.২০২৬ ৯:৩৮ পিএম  (ভিজিট : ৩৭)
বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশনের লোগো। ছবি : সময়ের আলো
টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরী সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে টেলিকম টাওয়ার কোম্পানির সম্মিলিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ)। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে ও জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্প্রতি এক আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরে বিটিএ। নির্বিঘ্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে সংগঠনটি বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি গুরুত্বসহকারে বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানিয়েছে।

দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো, যার কেন্দ্রে রয়েছে টেলিকম টাওয়ার। সারাদেশে ৪৫ হাজারেরও বেশী টেলিকম টাওয়ার রয়েছে, যা বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি নির্ভর ব্যাকআপ ব্যবস্থার (জেনারেটর) ওপর নির্ভর করে সচল থাকে। ফলে চলমান জ্বালানি সংকট এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে এ খাতে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে নিরবচ্ছিন্ন সেবা ব্যাহত হয়ে সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে, ফলে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন কোটি গ্রাহক।


এ ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হলে এ খাত যেকোনো মূল্যে সচল রাখা প্রয়োজন, আর তাই গুরুত্বপূর্ণ এ অবকাঠামোকে জরুরী সেবার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যাংক, আইটিসহ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সংযোগের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ক্ষতির সম্মুখীন হবে প্রতিটি সেক্টর। তাই ঝুঁকি এড়াতে করণীয় ও চলমান সংকটের বাস্তবিক সমাধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর সে কারণেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি নীতিগত সহায়তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি টেলিযোগাযোগ উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে এর প্রভাব আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি সমন্বয় থেকে শুরু করে জরুরি যোগাযোগ ও জনসেবাসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতেই পড়বে। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে দেশ ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই এ দুর্যোগ এড়াতে নীতি সহায়তার পাশাপাশি যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারেও সরকারকে তাগাদা দেয় সংগঠনটি।


/ইউএমএইচ


  বিষয়:   টেলিযোগাযোগ  জ্বালানি  বিটিএ 


Loading...
Loading...
অর্থনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: