ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবাসহ কুমিল্লার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৮৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজিবি সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিকল্পিতভাবে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোসাইস্থল, চন্ডিদার, মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা এলাকা এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তে পৃথক অভিযান চালানো হয়।
এ সময় শাড়ি, জিরা, আকাশমনি গোল কাঠ, বাসমতি চাল, ফুসকা, চিংড়ির রেনু, গরু ও গাঁজাসহ বিভিন্ন অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮৪ লাখ ৩২ হাজার ১৯২ টাকা।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত মালামাল কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আর মাদকদ্রব্য ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের মাদক স্টোরে সংরক্ষণ করা হবে।
এদিকে, গত ১৯ এপ্রিল কসবা উপজেলার পশ্চিম খাদলা এলাকার পুটিয়া গ্রামের মানবপাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. রাকিব (২২) কে একটি পালসার মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। পরে তাকে কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও চারজন পলাতক রয়েছে।
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিজিবির ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সীমান্তে চোরাচালান ও মানবপাচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আসবে।