বাইফোকাল টেক্সট
মস্তক কাটা ঘড়িগুলো
সকালকে ঘামিয়ে তুলছে রক্তাক্ত কফির ধোঁয়ায়
হে পর্বতমালা
এসব কি বৈদিক কিংবা ডলারের পুঁতে রাখা ডিজিজ নয়?
যাদের ফর্মুলায়
তুমি আমি পাষাণের ভূখণ্ড আঁকছি পূর্ণতায়
তবু ডেথ অফ সিরিয়াসনেসের তালে
আমাদের সন্তানগণ-
বিদ্বেষ বুনোবুনি করে
সেসব গান লিখে যাচ্ছে থ্যালিসের হেগেলের গোঁফে...
অকালীন দুর্দশা
অ্যাপোলোর প্রপৌত্রদের আভূষণে
বন্দরঘেঁষা জাহাজের বাজনায়
হাড় কাঁপা রাতগুলো নেচে উঠে...
তবুও নাবালকেরা নামতা শেখার আগেই প্রলুব্ধ বাইসনের মহিমায়...
হে ঝিরি পথ
তোমার মননে
কে কার্নিভাল নীতি পুশ করে গেলো সমঝোতাহীন তকমায়
শোনো
অতীত কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা তামাশার ছক আঁকছে
তারাই নাসাবদ্ধ হরফে লিখে যাচ্ছে ইচ্ছা ও অনিচ্ছার কিতাব।
বীজ অচেনা বৃক্ষের
তবু পরম্পরার নামে বৃক্ষরা অসুয়া বীজ বুনে যাচ্ছে
ভুলেভরা কৃচ্ছ্রতায়
সময় দৌড়াচ্ছে জাপানি শিশুদের মতো
মনে রেখো প্রতীত্যসমুৎপাদের হৃদয় কখনো কাদার ফোয়ারায় আটকায় না কিংবা ক্রিয়াশীল মৎস্যদের ডানা...
তবে কেন
মৃতদের প্রবচনে লিখছো মূঢ়জনের মাকাল শ্লোক
ও'হে মোহগ্রস্ত মৌমাছি
প্রাচীন ফসিলগুলো রেখে দাও
মিউজিয়াম কিংবা পিনোনের পাঁজরে
যেন ভিন্ন ভিন্ন সুরে জুমেরা গেয়ে উঠে শিশুদের বাজনায়।
আড়ষ্টতার জল
কার অভিসম্পাতে যুগে যুগে তলিয়ে গেছি—
বুঝে ওঠেনি পর্বতের সুমিষ্ট জল।
ঘড়ির ভিতরে সারি সারি বহিরাগত বাধ্যবাধকতা
তোলপাড় করে মুড়িয়ে নিচ্ছে পূর্ব দিকের আয়ু; নেহাতই কুয়াশার নানাবিধ অনুবাদ শেষে
আমি প্রাগৈতিহাসিক—
এবং শব্দের ভিতরে বসে ডি-কোড করি লেলিয়ে দেওয়া কিছু মোলায়েম বাতাস...
মগজে মোড়ানো ৯০ ভাগ
দশফর্মার জীবন নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে জলপাখিদের বাতাবরণে জেনে যাই—
আমাদের মনের ভেতর নব্বই ভাগ অন্ধকার জমে কিলবিল করছে
তাই তৃতীয় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে—
সমুদ্রের পোর্ট্রেট করে যাচ্ছি- শামুকের ভাষাবিজ্ঞানে
যেখানে কুমারীরা বহুরৈখিক বাতাসে ঋতুমতীর গ্রাফিতি আঁকছে...
এই থিওরির পথ ধরে আমি অনাগত—
সেকেন্ড ও মিনিটদের সাজাই মসৃণ বেলপত্রে