বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ডাক দিয়েছে শিক্ষকরা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শাটডাউন পালন করছে তারা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে, শিক্ষকদের এমন আন্দোলনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলে সেশন জটের আশঙ্কা রয়েছে।
আন্দোলনের বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক জানান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা প্রমোশন ও নিয়োগ পাচ্ছে। তবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০০ জনের বেশি শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ২১০ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ বিভাগ ২-৩ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে। এতে একজন শিক্ষকের ওপর ১৪-১৫ টি কোর্সের চাপ পড়ছে।
তারা আরও বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় চলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে। আইনের কোন বিধান যদি পরিবর্তন করে হয়, তবে যে বিধান যেখানে পাস হয়েছে, সেখানে পরিবর্তন করতে হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, সরকার ২০২১ সালে পদোন্নতির নূন্যতম যোগ্যতার নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালার নির্দেশিকার আলোকে নীতিমালা বা সংবিধি প্রণয়ন করতে হবে। ইউজিসি থেকে এমনি এক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে শিক্ষকরা চাচ্ছেন, ২০১৫ সালের নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি। এ নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, দাবি আদায়ে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি পালন করে শিক্ষকরা। এছাড়া দাবি আদায়ে গত রোববার সন্ধ্যা সাতটা থেকে আমরণ অনশনে বসেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন। তিনি সোমবার রাতে অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এফআর