চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনি সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলেও গত মার্চে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাকে এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতেও তার উপস্থিতি নেই। তবে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, শান্তি আলোচনার প্রতিটি পদক্ষেপ তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ীই পরিচালিত হচ্ছে।
মোজতবা খামেনি আড়ালে থাকলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের রাজনীতিতে বেশ কয়েকজন নেতার প্রভাব দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার সঙ্গে দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আব্বাস আরাগচিসহ অভিজ্ঞ কূটনীতিকরা আলোচনার টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
যুদ্ধের কারণে আইআরজিসির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারালেও দেশটির শাসন ব্যবস্থায় এই বাহিনীর প্রভাব কমেনি। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকারের পাশাপাশি আইআরজিসি বর্তমানে একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করছে। যদিও প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিভিন্ন বিবৃতি প্রদান করছেন, তবে প্রকৃত ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তার কর্তৃত্ব কতটুকু রয়েছে, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
/কহু